মধ্যপ্রাচ্য

আমি শেষ পর্যন্ত লড়বো

আঙ্কারা, ১৫ মে – তুরস্কের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রেক্ষাপট পাল্টে গেছে অনেক সময় পার হলো। কিন্তু চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসেনি।

বর্তমান প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান কিংবা তার প্রধান বিরোধী প্রার্থী কামাল কিলিচদারোগলু কেউই ৫০ শতাংশ ভোট পাননি। ফলে নির্বাচন গড়াতে পারে ২৮ তারিখ। এ অবস্থায় শেষ পর্যন্ত লড়বেন বলে জানিয়েছেন কিলিচদারোগলু।
আল জাজিরা সোমবার (১৫ মে) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়। খবরে বলা হয়, নির্বাচনের ফল নিয়ে সমর্থকদের আশাবাদী থাকতে আহ্বান জানিয়েছেন কামাল কিলিচদারোগলু। গতকাল রোববার (১৪ মে) থেকে তিনি ও তার দল নির্বাচনে জয়ী হতে অবিরাম কাজ করে যাচ্ছেন বলেও জানান।

টুইটারে দেওয়া এক পোস্টে কিলিচদারোগলু বলেছেন, আপনারা নিরাশ হবেন না। আমি আরও শক্ত হয়ে দাঁড়াবো। শেষ পর্যন্ত লড়বো। যা কিছু ঘটেছে সে ব্যাপারে নিজের স্পষ্ট অবস্থান ব্যাখ্যা করব।

তিনি আরও লেখেন, এরপর আমরা একসাথে দাঁড়াবো, এ নির্বাচন একসঙ্গে জয় করবো। তবে সব কিছু শেষে আমাদের জাতি যে সিদ্ধান্ত নেবে, তা-ই হবে।

এর আগে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, যদি আমাদের দেশ দ্বিতীয় দফা নির্বাচনের কথা বলে, আমরা অবশ্যই দ্বিতীয় দফায় জিতব।

এদিকে, বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এ সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের অপর প্রার্থী ও এটিএ অ্যালাইন্সের নেতা সিনান ওগান বলেছেন, ২৮ তারিখ দ্বিতীয় দফা ভোটের আগে তিনি কাকে সমর্থন দেবেন সে ব্যাপারে চিন্তা করবেন। কিন্তু তার আগে তিনি তার ভোটার বেসের সঙ্গে পরামর্শ করবেন।

রয়টার্সকে তিনি বলেন, আমরা ইতোমধ্যেই স্পষ্ট করে দিয়েছি, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই ও শরণার্থীদের ফেরত পাঠানোই আমাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত (রেড লাইন)। আমার লক্ষ্য ছিল তুরস্কের রাজনৈতিক সমীকরণ থেকে দুটি প্রধানত কুর্দি দলকে সরিয়ে দেওয়া ও তুর্কি জাতীয়তাবাদী এবং ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীদের শক্তিশালী করা।

তিনি হয়ত কামাল কিলিচদারোগলু সমর্থন দেবেন যদি তিনি কুর্দিপন্থী কোনো দলকে কোনো ছাড় দিতে রাজি না হন। উল্লেখ্য, সিনান ওগান যদি কিলিচদারোগলুকে সমর্থন দেন ২০ বছরের ক্ষমতা হারাবেন এরদোয়ান।

এদিকে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি ৯৮ দশমিক ৮৭ শতাংশ ভোটের হিসাব দিয়েছে। এতে দেখা যায় এরদোয়ান পেয়েছেন ৪৯ দশমিক ৫০ শতাংশ ভোট; প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী সিএইচপির কামাল কিলিচদারোগলু পেয়েছেন ৪৪ দশমিক ৮৯ শতাংশ ভোট।

এটিএ পার্টির সিনান ওগানের ভোট ৫ দশমিক ১৭ শতাংশ। ভোটের আগেই সরে যাওয়া প্রার্থী মুহাররেম ইনচে পেয়েছেন দশমিক ৪৩ শতাংশ ভোট

তুরস্কে ৬ কোটি ৪০ লাখ ভোটার নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। এর মধ্যে ৫০ লাখ হচ্ছেন নতুন ভোটার, যাদের বয়স ১৮-২২ বছরের মধ্যে, যারা প্রথমবারের মতো ভোট দিয়েছেন।

সূত্র: বাংলানিউজ
আইএ/ ১৫ মে ২০২৩

Back to top button