নোয়াখালী

গৃহবধূকে নির্যাতন: ৩ আসামিকে নিয়ে ঘটনাস্থলে পিবিআই

গৃহবধূকে নির্যাতন: ৩ আসামিকে নিয়ে ঘটনাস্থলে পিবিআই

নোয়াখালী, ১০ অক্টোবর- নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের ঘটনায় দায়ের করা দুটি মামলার তিন আসামি বাদল, কালাম ও সাজুকে নিয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) কর্মকর্তাগণ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল ১০টায় ওই তিন আসামিকে সঙ্গে নিয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দায়ের করা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর মামুনুর রশিদ পাটোয়ারী একলাশপুর ইউনিয়নের জয়কৃষ্ণপুর গ্রামে নির্যাতনের শিকার ওই নারীর বাড়িতে যান।

এ সময় পিবিআই এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সঙ্গে ছিলেন।

পিবিআই কর্মকর্তারা ওই বাড়িতে ২০ মিনিটের মতো অবস্থান করে নির্যাতনের শিকার ওই নারীর বসতঘরে ঘটনাস্থল ও আশপাশ ঘুরে দেখেন। তবে এ সময় তারা কারো সঙ্গে কথা বলেননি।

আরও পড়ুন: বাগেরহাটের ৫২ সাংবাদিক প্রধানমন্ত্রীর অনুদান পেলেন

এর আগে শুক্রবার সকালে পিবিআই নোয়াখালীর ইন্সপেক্টর সুভাষ চন্দ্র পালের নেতৃত্বে একটি দল একলাশপুর ইউনিয়নের জয়কৃষ্ণপুর গ্রামের নির্যাতিতা ওই নারীকে নিয়ে তার বাড়ি পরিদর্শনে যায়। এ সময় মামলার তদন্তকারী দুই কর্মকর্তা ছাড়াও পিবিআই চট্টগ্রামের তদন্ত বিশেষজ্ঞ ফারুক আহমেদ এবং মামলা দুটির সাবেক তদন্তকারী কর্মকর্তা বেগমগঞ্জ মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোস্তাক আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। ঘটনা প্রকাশ হওয়ার পর থেকে বাড়িটিতে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আলমগীর হোসেন জানান, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের নির্দেশনা অনুযায়ী শুক্রবার বিকেলে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে ভুক্তভোগীর দায়ের করা দুটি মামলা পিবিআইতে স্থানান্তর করা হয়। পিবিআই নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দায়ের করা মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা নিযুক্ত করে ইন্সপেক্টর মামুনুর রশিদ পাটোয়ারীকে। এছাড়া পর্নোগ্রাফি আইনে দায়ের করা মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা করা হয় ইন্সপেক্টর মোস্তাফিজুর রহমানকে।

প্রসঙ্গত, ঘরে ঢুকে এক নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন এবং ঘটনার সময় মোবাইলে ধারণ করা ভিডিও গত রোববার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ওইদিন রাতে পুলিশ নির্যাতনের শিকার ওই নারীকে খুঁজে বের করে নিরাপত্তা হেফাজতে নেয়। ওই রাতে ভুক্তভোগী বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে দুটি দায়ের করেন। দুই মামলার এজাহারে ৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ৭/৮ জনকে আসামি করা হয়। দুই মামলায় এ পর্যন্ত ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়। এর মধ্যে এজাহারভুক্ত ৬ জন এবং তদন্তে যুক্ত হয়েছে ৫ জন।

সূত্র : বাংলানিউজ
এন এইচ, ১০ অক্টোবর

Comments

Back to top button