জাতীয়

বিশ্বমানের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার

ঢাকা, ১৮ জানুয়ারি – প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সরকার সবার জন্য বিশ্বমানের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে কাজ করে যাচ্ছে। সবাই যাতে বিশ্বমানের স্বাস্থ্যসেবা পায় তার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

বুধবার (১৮ জানুয়ারি) সকালে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে দেশের ১৩ জেলার ৪৫ উপজেলায় কমিউনিটি ভিশন সেন্টার উদ্বোধনকালে এ কথা বলেন তিনি।

রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে আয়োজিত মূল অনুষ্ঠানের পাশাপাশি ভোলার চরফ্যাশন, বরগুনার আমতলী, চট্টগ্রামের বাঁশখালী ও কক্সবাজারের পেকুয়ার কমিউনিটি ভিশন সেন্টারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী। পরে তিনি উপকারভোগীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

৪৫টি কমিউনিটি ভিশন সেন্টার উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি এর আগে দুই ধাপে ৯০টি কমিউনিটি ভিশন সেন্টার উদ্বোধন করেছি। সব মানুষকে বিনামূল্যে আধুনিক ও উন্নত চক্ষু চিকিৎসার আওতায় আনার জন্য পর্যায়ক্রমে সারাদেশে কমিউনিটি ভিশন সেন্টার নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। আমরা তৃণমূল মানুষের দোরগোড়ায় চোখের মেডিকেয়ার পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছি। কমিউনিটি ভিশন সেন্টার থেকে চিকিৎসা নিয়ে অনেকেই অন্ধ হওয়া থেকে রক্ষা পেয়েছেন। এটি জাতি হিসেবে আমাদের জন্য বড় অর্জন।

স্বাস্থ্যখাতের সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিতে ও সব বিভাগে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণ করা তার সরকারের পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালকে ৫ হাজার শয্যায় উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। করোনা মহামারি ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে ঢাকা মেডিকেল কলেজের মানোন্নয়ন-সংক্রান্ত কাজ এখনো শুরু করতে পারিনি। আশা করছি, শিগগির শুরু হবে।

নতুন চালু হওয়া কমিউনিটি ভিশন সেন্টারের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ২০টি, চট্টগ্রাম বিভাগে ২০টি, রাজশাহী বিভাগে চারটি ও খুলনা বিভাগে একটি রয়েছে।

অনুষ্ঠানে কমিউনিটি ভিশন সেন্টারের কার্যক্রম সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত বর্ণনা করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. জাহিদ মালেক, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব ড. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন, জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. গোলাম মোস্তফা আহমেদ।

কমিউনিটি ভিশন সেন্টার থেকে এ পর্যন্ত ১৩ লাখ ৩১ হাজার ৫৭৭ জন চোখের চিকিৎসা নিয়েছেন। এছাড়া ২ লাখ ১০ হাজার ৮৬৮ জনকে বিনামূল্যে চশমা দেওয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানে কমিউনিটি আইভিশন সেন্টারের পক্ষ থেকে চোখের চিকিৎসা সংক্রান্ত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

সূত্র: জাগো নিউজ
এম ইউ/১৮ জানুয়ারি ২০২৩

Back to top button