ক্রিকেট

আমি খেলোয়াড় হলে বিপিএলের বদলে আইপিএল খেলতাম

ঢাকা, ০৩ জানুয়ারি – বিসিবির কর্তারা বারবার বিপিএলকে বিশ্বের ‘দ্বিতীয় সেরা ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি লিগ’ হিসেবে দাবি করলেও বাস্তবে অনেক পিছিয়ে আছে বাংলাদেশের এই ঘরোয়া আসর। খেলা হচ্ছে অনেকটাই নামেমাত্র। দীর্ঘ মেয়াদী কোনো লক্ষ্য নেই। টি-টোয়েন্টি উপযোগী উইকেট নেই।

সামান্য ডিআরএস প্রযুক্তিও নেই। বিপিএলের ৯ম আসর শুরুর প্রাক্কালে এমন অনেক ‘নেই’ মেনে নিয়েছেন জাতীয় দলের বর্তমান টিম ডিরেক্টর খুলনা টাইগার্সের কোচ খালেদ মাহমুদ সুজন।
৬ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে এবারের বিপিএল। একই সময় চলবে দক্ষিণ আফ্রিকায় এসএ-২০ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের আইএলটি-২০ লিগ। নামীদামী খেলোয়াড়রা বিপিএল ফেলে ওই দুই লিগকেই বেছে নিয়েছেন। কারণ সেসব জায়গায় পেশাদারিত্ব আর অর্থের পাশাপাশি আইপিএল দলের নজরে পড়ার সুযোগ আছে। আজ মঙ্গলবার মিরপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে খালেদ মাহমুদ সুজন স্বীকার করে নেন যে, প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছে বিপিএল।

সুজন বলেন, ‘পেশাদারিত্বের দিক থেকে আমরা খুবই ভালো ছিলাম, আইপিএলের পরই আমরা ছিলাম। তবে এখন অনেকে ভালো করছে, আমাদের ছাড়িয়ে যাচ্ছে। ড্রাফট থেকে যারা আসছে আমরা তেমন ভালো খেলোয়াড় পাইনি। দক্ষিণ আফ্রিকা ও আরব আমিরাতের ঐ দুই টুর্নামেন্টে দলগুলো আইপিএল-কেন্দ্রিক। সবারই একটা লক্ষ্য থাকে আইপিএল খেলার। ওসব টুর্নামেন্ট খেলতে গেলে আইপিএলের ফ্র্যাঞ্চাইজিদের নজরে পড়ার সুযোগ থাকে। ‘

জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাহমুদ আরও স্বীকার করে নেন যে, এই সময়ে তিনি খেলোয়াড় থাকলে বিপিএলের বদলে আইপিএলকেই বেছে নিতেন। সুজনের ভাষায়, ‘আইপিএলের মতো তো কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ নেই। আমি খেলোয়াড় হলে আমিও এই টুর্নামেন্ট (বিপিএল) না খেলে ওই টুর্নামেন্টে যেতাম, এটা খুবই স্বাভাবিক। এটার কারণেই আমরা একটু পিছিয়ে যাচ্ছি। ভারতের সাথে আমরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারছি না। ‘

সূত্র: কালের কণ্ঠ
এম ইউ/০৩ জানুয়ারি ২০২৩

Back to top button