জাতীয়

খন্দকার মাহবুবের প্রতি বিএনপির শেষ শ্রদ্ধা, আজ দাফন

ঢাকা, ২ জানুয়ারি – দলের ভাইস চেয়ারম্যান ও সুপ্রিমকোর্টের প্রবীণ আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেনকে শেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছে বিএনপি। গতকাল রোববার সকালে তার মরদেহ রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে নেওয়া হয়। সেখানে তার কফিন দলীয় পতাকা দিয়ে ঢেকে দেন বিএনপির সিনিয়র নেতারা। এ সময় তারা আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন।

পরে সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গণে নামাজে জানাজা শেষে খন্দকার মাহবুব হোসেনকে আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করার কথা ছিল। কিন্তু তার যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ছেলে দেশে পৌঁছাতে পারেননি। তিনি পৌঁছালে আজ সোমবার বাদ জোহর তাকে আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হবে।

গতকাল সকালে খন্দকার মাহবুব হোসেনের প্রথম জানাজা হয় রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার ছাপড়া মসজিদে। পরে মিরপুরের খন্দকার মাহবুব হোসেন চক্ষু হাসপাতাল প্রাঙ্গণে দ্বিতীয়, নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে তৃতীয়, মালিবাগ চৌধুরীপাড়া মাটির মসজিদে চতুর্থ এবং সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গণে শেষ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

গতকাল নয়াপল্টনে খন্দকার মাহবুব হোসেনের কফিনে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘আমরা অত্যন্ত শোকাহত। আমরা আমাদের একজন প্রিয় নেতা এবং বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যানকে হারিয়েছি। তিনি দলের জন্য, দেশের জন্য, জনগণের জন্য, জাতীয়তাবাদী শক্তির পক্ষে এবং বিচারালয়ে উচ্চতর আদালতে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে সংগ্রাম করেছেন।’

জানাজায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান শাহজাহান ওমর, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ফজলুর রহমান, কামরুল ইসলাম, হাবিবুর রহমান হাবিব, কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুজ্জামান রিপন, হাবিব-উন নবী খান সোহেল, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, আবদুস সালাম আজাদ, শাহ আবু জাফর, অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস কাজল, নাজিমউদ্দিন আলম, মাহবুবুল হক নান্নু, তাইফুল ইসলাম টিপু, আমিনুল হক, আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, নজরুল ইসলাম মোল্লা, মজিদ মল্লিক, মনীরুজ্জামান মুনির, আবদুস সাত্তার পাটোয়ারী, আবদুর রহিম, লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, এনপিপির ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, জাপগার খন্দকার লুতফর রহমানসহ সহস্রাধিক নেতাকর্মী, আইনজীবীসহ বিভিন্ন পেশাজীবীরা অংশ নেন।

গত শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে মারা যান খন্দকার মাহবুব হোসেন।

সূত্র: আমাদের সময়
আইএ/ ২ জানুয়ারি ২০২৩

Back to top button