ঢালিউড

রাজ্য বাবা-মাকে নিয়ে বড় হতে পারলো না

ঢাকা, ০১ জানুয়ারি – ‘আমার মানসিক অবস্থা বুঝতে পারবেন আশা করছি। আমাকে একটু সময় দিন।

শারীরিক ভাবেও আমি বিধ্বস্ত। রাজ্য তার বাবা মাকে একসঙ্গে নিয়ে বড় হতে পারলো না এর থেকে কষ্টের আর কি হতে পারে আমার কাছে…!’ রোববার (০১ জানুয়ারি) বিকেলে এক স্ট্যটাসে এমন মন্তব্য করলেন ঢাকাই সিনেমার আলোচিত নায়িকা পরীমণি।

কয়কেদিন ধরেই স্বামী শরিফুল রাজের সঙ্গে পরীমণির সংসারে বিচ্ছেদের সুর শোনা যাচ্ছে। ইতোমধ্যে রাজকে বিয়েবিচ্ছেদের চিঠি পাঠাবেন বলেও জানিয়ে দিয়েছেন পরী। রোববার (০১ জানুয়ারি) সকালে তিনি প্রকাশ করেন রক্তাক্ত বিছানার কয়েকটি ছবি। সর্বশেষ পরী জানালেন তার শরীরে হাত তোলার কথা।

পরীমণি তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে লেখেন, একটা সম্পর্কে পুরোপুরি সিরিয়াস বা খুব করে না চাইলে একটা মেয়ে, বাচ্চা নেওয়ার মতো এত বড় সিদ্ধান্ত নিতে পারে না কখনোই। আমার জীবনের সবটুকু চেষ্টা যখন এই সম্পর্কটাকে ঠিকঠাক টিকিয়ে রাখা তখনই আমাকে পেয়ে বসা হলো। যেন, শত কোটিবার যা ইচ্ছে তাই করলেও সব শেষে ওই যে আমি মানিয়ে নেই এটা রীতিমতো দারুণ এক সাংসারিক সূত্র হয়ে দাঁড়ালো।

পরীর গায়ে হাত তোলার অভিযোগ এনে লেখেন, আমি জোর দিয়ে বলতে পারি আমাদের এই সম্পর্ক এত দিন আমার এফোর্টে টিকে ছিলো শুধু। কিন্তু বারবার গায়ে হাত তোলা পর্যায়ে পৌঁছালে কোন সম্পর্কই আর সম্পর্ক থাকে না। স্রেফ বিষ্ঠা হয়ে যায়। রাজ্যের দিকে তাকিয়ে বারবার সব ভুলে যাই। সব ঠিক করার জন্যে পরে থাকি। কিন্তু তাতে কি আসলেই আমার বাচ্চা ভালো থাকবে! না। একটা অসুস্থ সম্পর্ক এত কাছে থেকে দেখে দেখে ও বড় হতে পারে না। তাই আমি, রাজ্য এবং রাজের মঙ্গল এর জন্যেই আলাদা হয়ে গেলাম।

রাজ তার জীবনে প্রাক্তন উল্লেখ্য করে পরী লেখেন, রাজ এখন শুধু আমার প্রাক্তন’ই না, আমার ছেলের বাবাও। তাই রাজ্যের বাবার সন্মান রাখতে পাবলিকলি আর বাকি কিছু বলছি না আমি। তবে আমার ওপর তার আর তার পরিবারের কোন অসুস্থ আচরণ বা হার্মফুল কিছু করার চেষ্টা করলে আমি কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হবো।

২০২১ সালের অক্টোবরে ‘গুণিন’ সিনেমার শুটিংয়ের সময় সাত দিনের পরিচয়ে বিয়ে করেন পরী ও শরিফুল রাজ। খবরটি ২০২২ সালের ১০ জানুয়ারি হঠাৎ করেই জানান পরী। একইসঙ্গে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর দেন এই চিত্রতারকা। আর ২০২২ সালের আগস্টের ১০ তারিখ পরী ও রাজের ঘর আলো করে জন্ম নেন পুত্র সন্তান রাজ্য।

এম ইউ/০১ জানুয়ারি ২০২৩

Back to top button