জাতীয়

মেট্রোরেল চলতে লাগবে ৯ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ

ঢাকা, ২৮ ডিসেম্বর – রাজধানী ঢাকা গণপরিবহন ব্যবস্থায় নতুন যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে আজ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বুধবার (২৮ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় সবুজ পতাকা উড়িয়ে ও ফিতা কেটে উদ্বোধন করবেন বহুল কাঙ্ক্ষিত এ প্রকল্পের। বৃহস্পতিবার (২৯ ডিসেম্বর) থেকে যাত্রী পরিবহন শুরু করবে মেট্রোরেল। উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত মেট্রোরেল পরিচালনার জন্য প্রয়োজন হবে ৯ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। এ বিদ্যুৎ সরবরাহ করবে পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেডের (পিজিসিবি) ও ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (ডেসকো)।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এরইমধ্যে সব প্রক্রিয়া শেষ করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত ১১ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার রেলপথে ট্রেন চলাচলে প্রয়োজন হবে ৯ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। আর কমলাপুর পর্যন্ত চালু হলে দরকার হবে ৭০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। যা সরাসরি জাতীয় গ্রিড থেকে সরবরাহ করা হবে।

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) সূত্রমতে, এমআরটি লাইন-৬ এর আওতায় রাজধানীর উত্তরা থেকে কমলাপুর পর্যন্ত ২১ দশমিক ২৬ কিলোমিটার পর্যন্ত নির্মাণ হবে মেট্রোর উড়ালপথ। এটা বাস্তবায়ন হচ্ছে তিন ভাগে। প্রথম পর্যায়ে উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত ১১ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার। এরপর আগারগাঁও থেকে মতিঝিল তারপর কমলাপুর পর্যন্ত। এরমধ্যে উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত আজ খুলে দেওয়া হচ্ছে।

ঐতিহাসিক এই প্রকল্পের শুরুটাও হচ্ছে নতুন ইতিহাস তৈরির মাধ্যমে। দেশের প্রথম মেট্রোরেল চলবে নারী চালক মরিয়ম আফিজার হাতেই। ম্যাস ট্রানজিট লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) ইতিমধ্যে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।

মেট্রোরেল উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে এরই মধ্যে ডিএমপির পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। দেওয়া হয়েছে সাত দফা নির্দেশনা। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, মেট্রোরেলের আশপাশে সুউচ্চ ভবনগুলোতে ২৮ ডিসেম্বর সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ছাদে ওঠা যাবে না। বেলকনিতে থাকা যাবে না। ছাদে কোনো কাপড় শুকাতেও দেওয়া যাবে না। ছাদে কেউ অবস্থান করতে পারবেন না। এদিন সংশ্লিষ্ট এলাকায় কোনো অফিস, দোকান বা রেস্টুরেন্ট খোলা রাখা যাবে না। এমনকি এসব এলাকায় ২৯ ডিসেম্বরের আগে নতুন কোনো ভাড়াটিয়াও ওঠানো যাবে না।

সূত্র: দেশ রূপান্তর
আইএ/ ২৮ ডিসেম্বর ২০২২

Back to top button