দক্ষিণ এশিয়া

মেয়ের ভিডিও ভাইরাল, প্রতিবাদ করায় বাবাকে পিটিয়ে হত্যা

নয়াদিল্লি, ২৭ ডিসেম্বর – ভারতের গুজরাটে এক বিএসএফ সদস্যকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, তার মেয়ের একটি অশ্লীল ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। পরে এ ঘটনার প্রতিবাদ করতে গেলে তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। খবর বিবিসির।

গুজরাটের নাদিয়াদের এই ঘটনায় এরই মধ্যে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এদিকে বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে আহত হয়েছে ছেলেও। ঘটনায় অভিযুক্ত একই পরিবারের ৭ জনকে গ্রেফতারও করেছে পুলিশ। তবে নিহতের স্ত্রীর অভিযোগ পরিকল্পনামাফিক খুন করা হয়েছে তার স্বামীকে।

 

ওই বিএসএফ সদস্যের স্ত্রী মঞ্জুলা বলেন, পরিকল্পিতভাবে আমার স্বামীতে হত্যা করা হলো। আরও অনেকে এসেছিল তাকে মারতে। ঝোপের আড়ালে লুকিয়ে ছিল। আমরা তাদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়েছিলাম। কিন্তু বাকিরা আমার স্বামীকে পেছন থেকে আক্রমণ করে, আমাকে ও আমার ছেলেকে মারধর করে। আমি সাহায্যের জন্য আমার ভাগ্নেকে ডেকেছিলাম।

জড়িতে সাতজনকে গ্রেফতার করা হলেও মৃতের ছেলের দাবি, আমি চাই অন্য অপরাধীদেরও দ্রুত গ্রেফতার করা হোক।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই বিএসএফ সদস্যের মেয়ের সঙ্গে এলাকার এক কিশোরের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সে দুজনের ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের একটি ভিডিও তুলে রেখেছিল নিজের মোবাইলে। তারপর তা অনলাইনে ছড়িয়ে দেয় বলে অভিযোগ। এদিকে বিষয়টি জানাজানি হলে বিএসএফ সদস্য ও তার পরিবারের সদস্যরা কিশোরের বাড়িতে কথা বলতে যান। তখনই এই ঘটনা।

পুলিশ জানিয়েছে, প্রথমে দুই পরিবারের মধ্যে বিবাদ বাঁধে। তখন ছেলেটির পরিবারের সদস্যরা ওই বাবা, তার ছেলে ও স্ত্রীর ওপর হামলা চালায়। এ সময় বিএসএফ সদস্যকে লাঠি দিয়ে পেটানো হয়। ছুরির কোপও মারা হয়। ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি। মাথায় ও শরীরের অন্য অংশে আঘাত পেয়েছিলেন তিনি। তার ছেলে নবদীপও মাথায় গুরুতর আঘাত পান। আহত হন স্ত্রীও।

অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির একাধিক ধারাতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোমবার (২৬ ডিসেম্বর) তাদের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয় আদালতের পক্ষ থেকে।

সূত্র: জাগোনিউজ
আইএ/ ২৭ ডিসেম্বর ২০২২

Back to top button