জাতীয়

রংপুর সিটি ভোট মনিটরিং করবে ১৮শ সিসিটিভি

ঢাকা, ২৬ ডিসেম্বর – রংপুর সিটি কর্পোরেশনের (রসিক) ভোট মনিটরিং করবে এক হাজার ৮০৭টি সিসিটিভি। রসিক ভোটের কোনো অনিয়ম সিসিটিভিতে দেখা গেলেই নির্বাচন বন্ধ করে দেয়া হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

সোমবার ইসির আইডিইএ প্রকল্পের ডিপিডি কমিউনিকেশন স্কোয়াড্রন লিডার মো. শাহরিয়ার আলম জানিয়েছেন, ২২৯টি কেন্দ্রেই সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। এক্ষেত্রে এক হাজার ৮০৭টি সিসি ক্যামেরা থাকবে।

মঙ্গলবার (২৭ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত এই সিটির ভোটগ্রহণ করবে ইসি। এ নিয়ে নির্বাচন কমিশনার বেগম রাশেদা সুলতানা বলেন, কোনো সমস্যা দেখা গেলে গাইবান্ধার মতো সঙ্গে সঙ্গে নির্বাচন বন্ধ করে দেওয়া হবে। আমরা সুষ্ঠু নির্বাচন চাই।

এর আগে, গত ১২ অক্টোবর অনুষ্ঠিত গাইবান্ধা-৫ আসনের উপ-নির্বাচন সিসি ক্যামেরায় পর্যবেক্ষণের পর ব্যাপক অনিয়ম পেলে পুরো নির্বাচন বন্ধ করে দেয় নির্বাচন কমিশন। পরে আগামী ৪ জানুয়ারি এই নির্বাচনের নতুন তারিখ দেয় ইসি।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) যুগ্ম সচিব এসএম আসাদুজ্জামান জানান, ভোট পর্যবেক্ষণে সিসি ক্যামেরায় ব্যবহার ছাড়া মোতায়েন করা হয়েছে ব্যাপক সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এক্ষেত্রে পুলিশ, আনসার ও ভিডিপির সমন্বয়ে সাধারণ কেন্দ্রে ১৫ জনের এবং ঝুঁকিপূর্ণ ৮৬টি কেন্দ্রে ১৬ জনের ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া নির্বাহী ও বিচারিক হাকিম নিয়োগ করা হয়েছে ৪৯ জন। এদের মধ্যে নির্বাহী হাকিম ৩৩ জন ও বিচারিক হাকিম রয়েছেন ১৬ জন। তারা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা ও সংক্ষিপ্ত বিচার কাজ সম্পন্ন করবেন। এদিকে র‌্যাব, বিজিবির একাধিক টিম ভোটার এলাকায় রয়েছে ভ্রাম্যমাণ ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে।

রসিক নির্বাচনে মোট প্রার্থী রয়েছে ২৬০ জন। এক্ষেত্রে মেয়র পদে ৯ জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১৮৩ জন ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৬৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মেয়র পদে ৯ প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হলেন— জাতীয় পার্টির মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, আওয়ামী লীগের অ্যাডভোকেট হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়া, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ-ইনু) শফিয়ার রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমিরুজ্জামান পিয়াল, খেলাফত মজলিশের তৌহিদুর রহমান মণ্ডল রাজু, জাকের পার্টির খোরশেদ আলম খোকন, বাংলাদেশ কংগ্রেস-এর আবু রায়হান এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মেহেদী হাসান বনি ও লতিফুর রহমান মিলন।

নির্বাচনে দুই লাখ ১২ হাজার ৩০২ জন পুরুষ এবং দুই লাখ ১৪ হাজার ১৬৭ জন নারী ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাচ্ছেন। ভোটগ্রহণ করা হবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ২১ ডিসেম্বর এই সিটিতে সর্বশেষ নির্বাচন হয়েছিল। নির্বাচিত কর্পোরেশনের প্রথম সভা হয়েছিল ২০১৮ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি। সে মোতাবেক এ সিটির বর্তমান নির্বাচিতদের মেয়াদ শেষ হবে ২০২৩ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি।

সূত্র: বাংলাদেশ জার্নাল
এম ইউ/২৬ ডিসেম্বর ২০২২

Back to top button