টলিউড

মিঠুনদার সঙ্গে আড্ডায় এমন কোনো বিষয়ে ঢুকি না যেখানে ঝামেলা হতে পারে

কলকাতা, ২৫ ডিসেম্বর – আজ ২৫ ডিসেম্বর সারা বিশ্ব যিশুর জন্মদিন উদ্‌যাপনে ব্যস্ত। তবে টলিউড অভিনেতা ও সংসদ সদস্য দেবের পরিবারে জোড়া উদ্‌যাপন।

হবেই না কেন আজ যে সাংসদ-অভিনেতার জন্মদিন। নতুন ছবি ‘প্রজাপতি’ মুক্তি পেয়েছে। ব্যস্ততার ফাঁকে আনন্দবাজার অনলাইনের সঙ্গে ব্যক্তিগত জীবন, ‘প্রজাপতি’ নিয়ে কথা বললেন দেব।

বিয়ের প্রেক্ষাপটে তৈরি হয়েছে ‘প্রজাপতি’। দেবের উপর তো তা হলে বিয়ে করার চাপ আরও বেড়ে গিয়েছে? জানতে চাইলে দেব বলেন, ‘সেটা এখন বলে না। প্রতিটা সাক্ষাৎকারের শেষে এই প্রশ্ন থাকে, ‘দেব কবে বিয়ে করবে?’

তবে তিনি এমন প্রশ্নে মোটেও বিরক্ত হন না বলেও জানালেন।

প্রজাপতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র মিঠুন চক্রবর্তী। তার সঙ্গে বন্ধুত্বের গল্প প্রসঙ্গে এই সাংসদ অভিনেতা বলেন, ‘আমার বাবা তখন মুম্বাইয়ে ক্যাটারিংয়ের ব্যবসা করেন। সিনেমার সেটেই প্রথম দেখা মিঠুনদার সঙ্গে। তখন থেকেই আমায় স্নেহ করতেন, গল্প করতেন। তখনকার সিনেমার সেটের গল্প, ওর প্রেমের গল্প। আমায় অনেক স্পেস দিয়েছেন। বুম্বাদাও (প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়) কিন্তু আমায় স্পেস দিয়েছেন। তাই তো সব সিনিয়রদের সঙ্গেই আমার ভালো সম্পর্ক।’

দুই যুগের হিরো একসঙ্গে বসলে কী গল্প হয়? এমন প্রশ্নে দেবের ভাষ্য, ‘এটা খুবই ব্যক্তিগত, কীভাবে বোঝাব। আমাদের যাত্রাপথটা একদম অন্য। মিঠুনদার সেটে খাবার দিত আমার বাবা। সেখানে এখন, তার ছবির প্রযোজক সেই মানুষটা! সেটা কি ভাবা যায়? এককালে যে তাকে খাবার দিয়েছে, সে আজ বস। আমরা একটি পরিবারের মতো হয়ে গেছি।’

আপনাদের রাজনৈতিক মতাদর্শ আলাদা। বাড়িতে গল্পের মাঝে ঝামেলা হয়েছে?

এ প্রসঙ্গে দেব বলেন, দু’জনেই আমরা বিচক্ষণ মানুষ। তাই এমন কোনো বিষয়ে ঢুকিই না যেখানে ঝামেলা হতে পারে।

‘ঝামেলা তখনই হবে যখন তাকে বোঝানোর চেষ্টা করব যে, তিনি ভুল, আমি ঠিক। সেই জায়গাটাতে পৌঁছতেই দিই না। আমরা কখনো নিজেদের পছন্দে হস্তক্ষেপ করি না। মিঠুনদা সকালে তৃণমূলকে গাল দিয়ে সন্ধেবেলা আমার বাড়িতে খেতে এসেছেন। বলেছি, মাংস খাবে? খাওয়াদাওয়া হয়েছে। আড্ডা জমেছে। এটাই আমাদের সম্পর্ক। আমি কখনো অন্য দলের কাউকে নিয়ে কটূক্তি করিনি। সেই জন্যই হয় তো মিঠুনদা আমায় ভালোবাসেন। তাই জন্য আমার প্রতি এই ভ্রাতৃত্ববোধ, সৌজন্যবোধ হয়তো।’

আইএ/ ২৫ ডিসেম্বর ২০২২

Back to top button