জাতীয়

তথ্য গোপন রেখে আবেদন করলে ব্যবস্থা নেবে এনটিআরসিএ

ঢাকা, ২২ ডিসেম্বর – বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৬৮ হাজারের বেশি শিক্ষক নিয়োগের চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)।

এতে বলা হয়েছে, যদি কেউ তথ্য গোপন রেখে আবেদন করে নির্বাচিত হন, তবে তার নির্বাচন বাতিল করা হবে।

বুধবার (২১ ডিসেম্বর) এনটিআরসিএ সদস্য (শিক্ষাতত্ত্ব ও শিক্ষামান) এ বি এম শওকত ইকবাল শাহীন স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৬৮ হাজার ৩৯০টি শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। এতে দেখা যায়, স্কুল ও কলেজে ৩১ হাজার ৫০৮টি শূন্য পদ এবং মাদরাসা, ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানে ৩৬ হাজার ৮৮২টি শূন্য পদ রয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শিক্ষক নিয়োগসংক্রান্ত পরিপত্রের ৭ নম্বর অনুচ্ছেদের কার্যকারিতা সাময়িকভাবে স্থগিত করায় কর্মরত শিক্ষকদের (এমপিওভুক্ত) আবেদন করার সুযোগ নেই। তবে স্কুল পর্যায়ে যদি কোনো নিবন্ধন সনদধারী (এমপিওভুক্ত) প্রাপ্ত প্রার্থীর কলেজ পর্যায়ের শিক্ষক নিবন্ধন সনদ থাকে এবং তিনি যদি কলেজ পর্যায়ে এমপিওভুক্ত না হন তবে তার শিক্ষক নিবন্ধন সনদে উল্লিখিত কলেজ পর্যায়ের পদ ও প্রতিষ্ঠানে আবেদন করতে পারবেন। বিপরীতক্রমে কলেজ পর্যায়ে নিবন্ধন সনদধারী এমপিওভুক্ত প্রার্থীর যদি স্কুল পর্যায়ের শিক্ষক নিবন্ধন সনদ থাকে এবং তিনি যদি স্কুল পর্যায়ে এমপিওভুক্ত না হন তবে তার নিবন্ধন সনদে উল্লিখিত স্কুল পর্যায়ের পদ ও প্রতিষ্ঠানে আবেদন করতে পারবেন।’

যদি কোনো প্রার্থী কোনো বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চাকরিরত (এমপিওভুক্ত) হওয়া সত্ত্বেও তথ্য গোপন করে আবেদন করে নির্বাচিত হন, তবে তার নির্বাচন বাতিল করা হবে এবং তার বিদ্যমান এমপিও বাতিলের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে।

গণবিজ্ঞপ্তির আরেক অংশে বলা হয়েছে, সব আবেদনকারীকে নির্ধারিত এক হাজার টাকা ফি পরিশোধ করতে হবে। নির্ধারিত ফি না দিলে আবেদনটি বাতিল হয়ে যাবে।

উল্লেখ্য, সর্বশেষ ২০২১ সালের ৩০ মার্চ তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এনটিআরসিএ। এতে শূন্য পদ ছিল ৫৪ হাজার ৩০৪ টি। ওই বিজ্ঞপ্তির আওতায় ফল প্রকাশ হয় গত বছরের ১৫ জুলাই। সেখান থেকে ৩৪ হাজার ৭৩ জন শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে।

সূত্র: বাংলাদেশ জার্নাল
আইএ/ ২২ ডিসেম্বর ২০২২

Back to top button