ব্যবসা

বাংলাদেশের প্রবাসী আয় কমলেও ভারতের বাড়ছে

ঢাকা, ০১ ডিসেম্বর – প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্সের ক্ষেত্রে চলতি বছর নতুন মাইলফলক স্পর্শ করতে যাচ্ছে ভারত। কারণ এশিয়ার তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশটি ২০২২ সালে ১০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি প্রবাসী আয় পেতে যাচ্ছে। অন্যদিকে বাংলাদেশে ২০২১ সালের তুলনায় এ বছর প্রবাসী আয় এক বিলিয়ন ডলার কমতে পারে। চলতি বছরে বাংলাদেশে প্রবাসী আয় ২১ বিলিয়ন ডলার আসতে পারে, যা গত বছর ছিল ২২ বিলিয়ন ডলার।

বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) বিশ্বব্যাংকের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

দরিদ্রদেশগুলোতে আয়ের অন্যতম উৎস হলো প্রবাসী আয়। এসব দেশের নাগরিকরা বিদেশে অভিবাসী শ্রমিক হিসেবে কাজ করে এবং প্রাপ্ত অর্থ দেশের পরিবারগুলোর কাছে পাঠায়। প্রবাসীরা শুধু উন্নয়নশীল দেশের দরিদ্র দূরীকরণেই ভূমিকার রাখছে না, শিশুদের শিক্ষায়ও অবদান রাখছে।

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত কয়েক বছর ধরে উচ্চ আয়ের দেশগুলোতে দক্ষ কর্মী পাঠাতে শুরু করেছে ভারত। দক্ষ কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে দেশটির প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সিঙ্গাপুর। অন্যদিকে কম দক্ষদের পাঠাচ্ছে উপসাগরীয় দেশ সৌদি আরব, কুয়েত ও কাতারে। এসব প্রবাসীরা দেশটিতে অব্যাহত অর্থ পাঠাচ্ছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২১ সালে ভারত প্রায় নয় হাজার কোটি ডলার রেমিটেন্স পায়। এতে প্রবাসী আয়ের তালিকায় শীর্ষে ছিল দেশটি।

বিশ্বব্যাংক জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে মজুরি বৃদ্ধি ও শক্তিশালী শ্রমবাজারের কারণে ভারতের প্রাবসী আয় বেড়েছে।

তবে প্রাবাসী আয়ের এমন রেকর্ড পরিসংখ্যান সামনে এলেও ২০২২ সালের জিডিপিতে এর অবদান মাত্র তিন শতাংশ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রবাসী আয়ে এরপরেই থাকবে মেক্সিকো, চীন, ফিলিপাইন, মিশর ও পাকিস্তানের অবস্থান। কিন্তু আগামী বছর ভারতীয় প্রাবাসীদের জন্য চ্যালেঞ্জিং হবে। প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, শীর্ষ ৮ প্রবাসী আয়ের দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সপ্তমস্থানে থাকবে। গত বছরও বাংলাদেশ একই অবস্থানে ছিল।

সূত্র: জাগো নিউজ
এম ইউ/০১ ডিসেম্বর ২০২২

Back to top button