রূপচর্চা

ত্বকের শুষ্কতা দূর করতে

শীত এলেই ত্বকের শুষ্কতা বাড়ে। স্বাস্থ্যকর ত্বকের জন্য পানি গুরুত্বপূর্ণ। পানির অভাবে ডিহাইড্রেশনের হয়। ডিহাইড্রেটেড ত্বকে স্বাভাবিক শুষ্কতার সঙ্গে কালচে,ব্রণ ও র্যাশ দেখা দেয়। শুষ্ক ত্বকে প্রাকৃতিক তেলের অভাব হয়। ত্বক শুষ্ক হওয়ার অনেকগুলো কারণের মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য হলো পরিবেশ, ঘুমের অভাব, ডিহাইড্রেশন, ক্যাফেইন এবং প্রতিদিনকার যত্ন। ত্বক যত শুষ্ক হবে ততই ত্বকের নিস্তেজতা, অমসৃণ, সংবেদনশীলতা কমে লালচে ভাব দেখা দেয়। এ ছাড়া সূক্ষ্ম রেখা এবং বলিরেখা হয়।

শুষ্ক ত্বকের যত্ন শুষ্ক ত্বক পরিষ্কার করার জন্য মৃদু ক্লিনজার এবং হালকা গরম পানি ব্যবহার করতে হবে। খুব বেশি কেমিক্যাল ও কৃত্রিম সুগন্ধি যুক্ত ক্লিনজার ব্যবহার না করা। কারণ এই ধরনের ক্লিনজার ত্বক বার্ন এবং আরও পানিশূন্য করে দেয়। ত্বক যদি ডিহাইড্রেটেড থাকে, তাহলে টোনার ব্যবহার করা দৈনন্দিন স্কিনকেয়ার রুটিনের অপরিহার্য উপাদান। যদি আপনার ত্বক ডিহাইড্রেটেড হয় তবে ওয়াটার বেইজড টোনার ত্বকে ভালো কাজ করবে । এটা ত্বকের পিএইচ ভারসাম্য বজায় এবং ত্বক সতেজ করবে। সকালে এবং রাতে মুখ ক্লিনজার দিয়ে পরিষ্কার করার পর ময়েশ্চারাইজিং সিরাম দিতে হবে। ত্বক হাইড্রেড করে এমন সিরামগুলিতে হায়ালুরোনিক অ্যাসিড এবং গ্লিসারিন থাকে।

শুষ্ক ত্বকের জন্য সব সময় নিয়ম মেনে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা জরুরি। শুষ্ক ত্বকের জন্য সিরামাইড, অ্যালোভেরা এবং স্কোয়ালেন আছে এমন ময়েশ্চারাইজার উপযুক্ত। এ ধরনের ময়েশ্চারাইজার ত্বকের শুষ্কতা কমায়। এ ছাড়া ত্বকের সানবার্ন , পানিশূন্যতা ও সতেজতা ধরে রাখতে বাইরে বের হওয়ার সময় সানস্ক্রিন ব্যবহার যেমন জরুরি। তেমনি ৩ থেকে ৪ ঘণ্টার পর পুনরায় সানস্ক্রিন দিতে হবে।

ত্বকের শুষ্কতা দুর করতে কি খাবেন প্রতিদিন ৬ থেকে ৮ গ্লাস পানি পান করতে হবে। খাবারে পানি সমৃদ্ধ ফল এবং শাকসবজি রাখা। ত্বকের ভেতরে এবং বাইরে উভয় দিকেই যত্ন নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্বাস্থ্যকর খাবার, পর্যাপ্ত হাইড্রেশন, নিয়মিত ব্যায়াম, স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট এবং প্রতিদিন ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা ঘুমানো সুস্থ ত্বকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার যেমন ফলমূল এবং শাকসবজি খেতে হবে। যা আপনার ইমিউন সিস্টেমকে ভালো রাখতে সাহায্য করবে।

আইএ

Back to top button