জাতীয়

ফার্মেসিতে পণ্যের মতো মিলছে অ্যান্টিবায়োটিক

ঢাকা, ২৩ নভেম্বর – দেশের ফার্মেসিগুলোতে পণ্যের মতো অ্যান্টিবায়োটিক মিলছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, পৃথিবীর অন্য কোনো দেশে স্বীকৃত চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয় না। অথচ আমাদের ফার্মেসি ছাড়াও যত্রতত্র মিলছে এই ওষুধ। এটি রোধে আমাদের আইন আছে, কিন্তু বাস্তবায়ন নেই।

মঙ্গলবার বিশ্ব অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল সচেতনতা সপ্তাহ উপলক্ষে রাজধানীর হোটেল লা মেরিডিয়েনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারকারী অধিকাংশই কোর্স পূর্ণ করেন না। গ্রামীণ চিকিৎসকরা যাঁদের স্বীকৃতি নেই, তাঁরাও এই ওষুধ দিচ্ছেন। ঔষধ প্রশাসন বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে, কিন্তু তাতেও হচ্ছে না। এক্ষেত্রে আরও গুরুত্ব দিতে হবে।

জাহিদ মালেক বলেন, কখন অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা উচিত, সেটি মানুষকে জানাতে হবে। এজন্য সচেতনতা বাড়াতে হবে। ব্যবস্থাপত্র ছাড়া যাতে বিক্রি না হয়, সেটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে হবে। প্রয়োজনে ফার্মেসি বন্ধ করে দিতে হবে।

তিনি বলেন, পোলট্রি খামারগুলোতে ব্যাপক আকারে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার হচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী যতটুকু ব্যবহার করা উচিত, তার বাইরে যাতে না হয়, সেটি দেখতে হবে।

ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহম্মদ ইউসুফ বলেন, অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার অনেক বেশি। এটি রোধে শক্ত আইনের বিকল্প নেই।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম বলেন, শুধু আইন করে অপব্যবহার রোধ করা সম্ভব নয়। মানুষের সচেতনতা বাড়ানোর বিকল্প নেই।

সূত্র: সমকাল
আইএ/ ২৩ নভেম্বর ২০২২

Back to top button