জানা-অজানা

ফের বিশ্বে খাদ্য সঙ্কটের শঙ্কা

ক্রিমিয়ার রুশ নৌবহরে ইউক্রেন ড্রোন হামলা চালিয়েছে, এমন অভিযোগ এনে কৃষ্ণসাগর দিয়ে শস্য রপ্তানি চুক্তি থেকে সরে দাঁড়িয়েছে রাশিয়া। ফলে সাগর পথে ইউক্রেনের খাদ্য শস্য রপ্তানির বিষয়টি আবারও পড়েছে অনিশ্চিয়তায়। তাই বিশ্বজুড়ে আবারও খাদ্য সঙ্কট দেখা দেওয়ার শঙ্কা করা হচ্ছে।

একই সাথে খাদ্যপণ্যের দাম ফের বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যে যাওয়ার কথা কয়েক হাজার টন গম শেষ পর্যন্ত সেখানে পৌঁছাতে পারবে কি না তা নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এছাড়া ইউরোপে ইউক্রেনীয় ভুট্টা রপ্তানিও শঙ্কার মধ্যে পড়েছে।
করোনা মহামারি, প্রতিকূল আবহাওয়ার পর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বছরের শুরুতে গমের দাম বেড়েছিল রেকর্ড পরিমাণ। ভুট্টার দামও হয়েছিল ১০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।

এখন রাশিয়া এই চুক্তি থেকে সরে দাঁড়ানোর ফলে গম সরবরাহে যে ঘাটতি তৈরি হবে এশিয়ার অন্যতম প্রধান গম সরবরাহকারী দেশ অস্ট্রেলিয়া তা পূরণ করতে পারবে না, কারণ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সমস্ত শিপিং স্লট নির্ধারিত হয়ে আছে।

গতকাল রবিববার সামুদ্রিক মানবিক করিডোর দিয়ে কোনো জাহাজ চলাচল করেনি। আর রাশিয়া না থাকলেও জাতিসংঘ, তুরস্ক এবং ইউক্রেন ১৬টি জাহাজ এগিয়ে নেওয়ার জন্য একটি ট্রানজিট পরিকল্পনায় সম্মত হয়েছে।

সোমবার শিকাগোতে আগের চেয়ে ৫ শতাংশ বেশি দামে গম ও ২ শতাংশ বেশি দামে ভুট্টার ক্রয়-বিক্রয়ের চুক্তি হয়েছে।

গমের জন্য এশিয়া সাধারণত অস্ট্রেলিয়া এবং উত্তর আমেরিকার ওপর নির্ভরশীল হলেও বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম শস্য আমদানিকারক দেশ ইন্দোনেশিয়া ও কিছু এশীয় দেশ সম্প্রতি ইউক্রেনীয় গমের কার্গো বুকিং করেছে।

ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ইন্দোনেশিয়ান মিলাররা গত কয়েক সপ্তাহে স্বাক্ষরিত চুক্তিতে নভেম্বরের চালানের জন্য চারটি কার্গো বা প্রায় ২ লাখ টন ইউক্রেনীয় গম কিনেছে।

এম ইউ/৩১ অক্টোবর ২০২২

Back to top button