বিচিত্রতা

পাত্রের বয়স ৮৫, পাত্রীর ৮০

বয়স সংখ্যামাত্র। প্রেমের সঙ্গে এর কোনও সম্পর্ক নেই। জেনিফা ও রে-এর গল্প সেই কথাই বলে। ১৮ বছর ধরে একাই আছেন বছর ৮০-এর জেনিফা। দু’বার বিয়ে করলেও সেই বিয়ে টেকেনি। তবে এই বয়সে এসেও এক সঙ্গীর খোঁজ করছিলেন তিনি। অনেক পুরুষের সঙ্গেই আলাপ হয়েছে তার। কিন্তু কেউ-ই তেমন মনে ধরেনি জেনিফা-র। অবশেষে জেনিফা খুঁজে পেলেন মনের মানুষ। পাত্র বছর ৮৫-এর রে।

‘ব্লাইন্ড ডেটে’-এ গিয়ে রে-র সঙ্গে আলাপ হয় জেনিফা-র। তার বয়স সম্পর্কে একটা ধারণা থাকলেও তাকে দেখতে কেমন সে বিষয় কোনও ধারণাই ছিল না জেনিফা-র। প্রথম দেখাতেই জেনিফা রে-র প্রেমে পড়ে যান। রে-এর পোশাক, তার কথা বলার ধরন— সবটাই মনে ধরে জেনিফার।

বছর আটেক আগে রে-র স্ত্রী মারা যান। ‘ব্লাইন্ড ডেটে’-এ গিয়ে বন্ধু বানাতে বেশ ভালই লাগে তার। প্রচুর বন্ধু হয়েছে তার, তবে কেউই এত দিন সেভাবে মনে ধরেনি। প্রথম দেখায় জেনিফাকে দেখে তার মনেই হয়নি তার বয়স ৮০। প্রথম দেখাতেই মনে ধরে জেনিফা-র। কথা বলে আরও মুগ্ধ হন রে।

প্রথম আলাপেই তারা ঠিক করে নেন যে, একে অপরের সঙ্গেই বাকি জীবনটা কাটাতে চান তারা।

বার্ধ্যকেও কিন্তু সঙ্গীর প্রয়োজন হয়। অল্প বয়সে সঙ্গীহারা হলে আমরা সঙ্গীর খোঁজ করলেও বৃদ্ধ বয়সে কিন্তু আমরা আমাদের বাবা-মায়ের জন্য আর সঙ্গীর খোঁজ করি না। নিজেদের জীবনে ব্যস্ত হয় পড়ে আমরা তাদের খোঁজ নিতেই ভুলে যাই। তারা যদি সঙ্গী খুঁজতে চান, তা হলে ক্ষতি কি? প্রেমের কোনও বয়স হয় নাকি! একে অপরের পাশে থাকার নামই তো প্রেম!

আইএ/ ২৮ অক্টোবর ২০২২


Back to top button
🌐 Read in Your Language