জাতীয়

সুষ্ঠু ভোটের পরও কেন নির্বাচন বন্ধ, প্রশ্ন কাদেরের

ঢাকা, ১৩ অক্টোবর – গাইবান্ধার উপ-নির্বাচনে ঢাকা থেকে নির্বাচন কমিশন (ইসি) কর্তৃক বন্ধ করা ৫১ কেন্দ্রের বাইরে সবগুলোয় সুষ্ঠু ভোট হয়েছে। কিন্তু তারপরও কেন নির্বাচন বন্ধ করা হলো ও এর যৌক্তিকতা কী, প্রশ্ন তুলেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

বৃহস্পতিবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় নগর পরিবহনের নতুন রুট উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ প্রশ্ন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী।

ওবায়দুল কাদের বলেন, গতকাল গাইবান্ধায় যা হয়েছে, প্রিজাইডিং অফিসারদের ভাষ্যমতে ৫১টি ভোটকেন্দ্র ঢাকা থেকে বন্ধ করা হয়েছে। এটা তারা করতে পারে। কিন্তু ঢাকায় বসে সাংবাদিকদের নিয়ে ওখানকার গোপন বুথের যে ছবি এখান থেকে চোখে পড়েছে- তার ভিত্তিতে কেন্দ্র বন্ধ করা কতটা যৌক্তিক, কতটা বাস্তবসম্মত, কতটা আইনসম্মত, এই ব্যাপারে আমি নির্বাচন কমিশনকে বিনয়ের সাথে ভেবে দেখতে বলবো।

প্রিজাইডিং অফিসারদের বরাত দিয়ে গাইবান্ধার উপ-নির্বাচনে সুষ্ঠু ভোট হয়েছে দাবি করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রিজাইডিং অফিসাররা বলেছেন সহকারী রিটার্নিং অফিসারদের নির্দেশে ভোট বন্ধ হয়েছে। তাদের কাছে প্রিজাইডিং অফিসারদের লিখিত ভাষ্য আছে। শেষ পর্যন্ত ঢাকা থেকে নির্বাচন কমিশন যে কেন্দ্রগুলো বন্ধ করেনি, সেই কেন্দ্রগুলো প্রিজাইডিং অফিসাররা সকলেই এক বাক্যে ভোট সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে বলেছেন এবং কোনো প্রকার বিশৃঙ্খলা হয়নি। তারা নির্বাচনী কর্মকর্তা রিটার্নিং অফিসারের নির্দেশে ভোট বন্ধ করেছে। এ সময়, বিষয়গুলো সত্য কিনা যাচাই করে দেখতে বলেন তিনি।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন স্বাধীন, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেটা নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই। তবে অতীতে কখনও এরকম নজিরবিহীন ঘটনা ঘটেছে বলে জানা নেই। কী কারণে ভোটগ্রহণ বন্ধ করা হলো সেটা আমাদের কাছে স্পষ্ট নয়। ১৪৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ৫১টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে।

সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের স্বার্থে নির্বাচন কমিশন বিধিবিধান অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নেবে। কিংবা গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের স্বার্থে গণতন্ত্র ও জনগণ কর্তৃক নির্বাচিত সাংবিধানিক শাসনব্যবস্থার ধারাবাহিকতা রক্ষার স্বার্থে নির্বাচন কমিশন বিধিবিধান অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নেবে বলে এ সশয় আশা প্রকাশ করেন ওবায়দুল কাদের।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেন বাস রুট রেশনালাইজেশন কমিটির প্রধান এবং ঢাকা দক্ষিণের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস। বক্তব্য দেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম, স্থানীয় সংসদ সদস্য সাদেক খান, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী, ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক সাবিহা পারভিন।

সূত্র: বাংলানিউজ
এম ইউ/১৩ অক্টোবর ২০২২

Back to top button