জাতীয়

গুলি করে হত্যার পর বিএনপির বিরুদ্ধেই মামলা দিচ্ছে পুলিশ

চট্টগ্রাম,২৩ সেপ্টেম্বর – চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, ‘শান্তিপূর্ণ সমাবেশে গুলি চালিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের হত্যা করা হচ্ছে। এরপর উল্টো বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধেই মামলা দিচ্ছে পুলিশ। এখন থেকে তাদের (পুলিশ) বিরুদ্ধে আমরাও পাল্টা মামলা করবো।’

তিনি বলেন, ‘পুলিশের যেসব অতি উৎসাহী কর্মকর্তা বিএনপির শান্তিপূর্ণ সমাবেশে গুলি করে মানুষ হত্যা করছে, তাদের বিচার আন্তর্জাতিক আদালতে হবে।’

শুক্রবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বাদ জুমা চট্টগ্রাম মহানগরীতে মুন্সিগঞ্জে বিএনপি-পুলিশ সংঘর্ষে নিহত যুবদলকর্মী শহিদুল ইসলাম সাওনের গায়েবানা জানাজা করা হয়। গায়েবানা জানাজার আগে সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় ডা. শাহাদাত হোসেন এসব কথা বলেন।

চট্টগ্রাম মহানগরীর কাজীর দেউরী নাসিমন ভবনে দলীয় কার্যালয়ের সামনে বিএনপি ও যুবদলের উদ্যোগে এ জানাজা হয়। এতে ইমামতি করেন ওলামা দলের যুগ্ম-আহ্বায়ক মাওলানা আব্দুল করিম।

ডা. শাহাদাত বলেন, ‘এ সরকারের আর কত রক্ত দরকার। আর কত রক্ত দিলে এ স্বৈরাচারী সরকারের দুঃশাসন থেকে বিদায় নেবে। আজকে দেশের মানুষের কোনোঅধিকার নাই। সামান্য ব্যানার নিয়ে মিছিল করলেই বাধা দিয়ে গুলি করা হচ্ছে। অথচ সভা-সমাবেশ করা গণতান্ত্রিক অধিকার। শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে পুলিশ দিয়ে গুলিবর্ষণ করে এ ফ্যাসিবাদী সরকার জানান দিচ্ছে, তারা নির্যাতন করে আন্দোলন দমন করতে চান।’

তিনি বলেন, ভোলায় আবদুর রহিম, নুরে আলম, নারায়ণগঞ্জে শাওন ও মুন্সিগঞ্জের সাওনের রক্তদানের মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হয়েছে, এ দেশের মানুষ ফ্যাসিবাদী সরকারের দমন-নিপীড়নকে ভয় করে না। রক্ত দিয়ে, জীবন দিয়ে হলেও তারা এ দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করবে।

এসময় অন্যদের মধ্যে বক্তৃতা করেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব আবুল হাশেম বক্কর, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান, সিনিয় যুগ্ম-আহ্বায়ক এম এ আজিজ, যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম সাইফুল আলম, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আবদুল মান্নান, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আনোয়ার হোসেন লিপু, গাজী মো. সিরাজ উল্লাহ, মঞ্জুর আলম চৌধুরী মঞ্জু, থানা বিএনপির সভাপতি মঞ্জুর রহমান চৌধুরী, এম আই চৌধুরী মামুন, সাধারণ সম্পাদক নূর হোসাইন।

চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন দিপ্তীর সঞ্চালানায় আরও বক্তৃতা করেন মহানগর যুবদলের সহ-সভাপতি এম এ রাজ্জাক, ইকবাল হেসেন সংগ্রাম, ফজলুল হক সুমন, আবদুল গফুর বাবুল, মিয়া মোহাম্মদ হারুন, মো. ইলিয়াস, শাহাবুদ্দীন হাসান বাবু, হায়দার আলী চৌধুরী, নাসির উদ্দিন চৌধুরী নাসিম, সিনিয় যুগ্ম-সম্পাদক মোশাররফ হোসাইন, যুগ্ম সম্পাদক ইকবাল পারভেজ, সেলিম উদ্দিন রাসেল, তৌহিদুল ইসলাম রাসেল, ইদ্রিস আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক বাদশা, মহানগর তাঁতিদলের আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান টিটু, সদস্যসচিব মনিরুজ্জামান মুরাদ, মৎস্যজীবী দলের আহ্বায়ক নুরুল হক, ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি হাজী নবাব খান, জানে আলম জিকু, খাজা আলাউদ্দিন, সাইফুল আলম, ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক এম এ হালিম বাবলু, হাজী এমরান উদ্দিন, আবু সাঈদ হারুন, হাজী আবু ফয়েজ, জসিম মিয়া, হাজী মো. জাহেদ, ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সামিয়াত আমিন জিসান, আরিফুল ইসলাম মিটু প্রমুখ।

সূত্র: জাগোনিউজ
আইএ/ ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২

Back to top button