সিওল, ২৩ সেপ্টেম্বর – দক্ষিণ কোরিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র অনেক বছরের মধ্যে তাদের বৃহত্তম যৌথ সামরিক মহড়া শুরু করেছে। উত্তরের সম্ভাব্য অস্ত্র পরীক্ষার বিষয়ে প্রস্তুতি জোরদারের অংশ হিসেবে উলচি ফ্রিডম শিল্ড নামের এ মহড়া শুরু হয়েছে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ উত্তর কোরিয়া। যেকোনো সময় তারাও শক্তি প্রদর্শন করতে পারে, যা হুমকিতে ফেলবে গোটা এশিয়াকে।
উত্তপ্ত হয়ে উঠছে এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি। তাইওয়ান সীমান্তে চীনের শক্তি প্রদর্শনের ঘটনায়, যৌথ সামরিক মহড়ায় অংশ নেয় যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া।
এবার নতুন করে আবারো গ্রীষ্মকালীন মহড়া শুরু করছে যুক্তরাষ্ট্র এবং দক্ষিণ কোরিয়া, যা আগামী ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে। যুদ্ধবিমান, যুদ্ধজাহাজ, ট্যাংক এবং কয়েক হাজার সৈন্য এই মহড়ায় অংশ নেবে।
কোরীয় দ্বীপে সাম্প্রতিক সময়ে উত্তর কোরিয়ার আগ্রাসন বেড়ে গেছে, এমন অভিযোগ এনেই মিত্র দেশ দুটির সামরিক শক্তি প্রদর্শন চলছে। দক্ষিণের দাবি, উত্তর কোরিয়া চলতি বছর নজিরবিহীন গতিতে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার পাশাপাশি যে কোনো সময় তাদের সপ্তম পারমাণবিক পরীক্ষা চালাতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়া সামরিক মহড়ার ঘোষণা দেওয়ার পরই ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করেছে উত্তর কোরিয়া। সাগরে দুটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করেছে দেশটি।
এমন পরিস্থিতিতে, শঙ্কা ছড়িয়ে পড়েছে এশিয়ার অন্যান্য দেশে। আশঙ্কা রয়েছে যে, উত্তর কোরিয়া তার ক্ষোভ থেকে ইচ্ছাকৃতভাবে অস্থির পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে পারে।
সূত্র: একুশে টেলিভিশন
আইএ/ ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২









