জাতীয়

আত্মহত্যায় স্কুলগামী শিক্ষার্থীরাই বেশি, কেন?

ঢাকা, ১০ সেপ্টেম্বর – আন্তর্জাতিক আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস আজ শনিবার। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ‘কর্মের মাধ্যমে আশা তৈরি করো’- প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নানা আয়োজনে দিবসটি পালন করা হচ্ছে।

বিশ্বজুড়ে আত্মহত্যা প্রতিরোধে ২০০৩ সাল থেকে প্রতি বছরের ১০ সেপ্টেম্বর বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক আত্মহত্যা প্রতিরোধ সংস্থার সঙ্গে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও বৈশ্বিক মানসিক স্বাস্থ্য ফেডারেশন একযোগে দিবসটি পালনে কাজ করছে। ২০১১ সালে বিশ্বের প্রায় ৪০টি দেশ এ দিবসটি পালন করে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পারিবারিক নির্যাতন, কলহ, শারীরিক-মানসিক নির্যাতন, পরীক্ষা-প্রেমে ব্যর্থতা, দারিদ্র্য, বেকারত্ব, প্রাত্যহিক জীবনের অস্থিরতা, নৈতিক অবক্ষয় ও মাদক ইত্যাদি কারণে মানুষ আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছেন।

২০১৪ সালে প্রকাশিত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতি বছর বিশ্বে ৮ লাখেরও বেশি মানুষ আত্মহত্যা করে। সংস্থাটির মতে, প্রতি ৪০ সেকেন্ডে একজন মানুষ আত্মহত্যা করে। এছাড়া এর প্রায় ১৫ থেকে ২০ গুণ মানুষ আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়।

তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতায় কাজ করা আঁচল ফাউন্ডেশন নামে একটি সংগঠন আন্তর্জাতিক আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে শুক্রবার ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।

এতে জানানো হয়, ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৩৬৪ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে। ওই আট মাসে আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১৯৪ শতাংশ স্কুলগামী শিক্ষার্থী।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, আত্মহত্যা প্রবণতার ক্ষেত্রে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান দশম।

বাংলাদেশে প্রতি বছর কমপক্ষে ১৩ হাজার থেকে ৬৪ হাজার মানুষ আত্মহত্যা করে। গত এক যুগে প্রকাশিত বিভিন্ন গবেষণা প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, দেশে আত্মহত্যায় মৃত্যুহার প্রতি লাখ মানুষে কমপক্ষে ৭ দশমিক ৮ থেকে ৩৯ দশমিক ৬ জন।

সূত্র: ঢাকাটাইমস
আইএ/ ১০ সেপ্টেম্বর ২০২২

Back to top button