জাতীয়

প্রথম দিনে ঢাকায় বন্ধ ৮ হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার

ঢাকা, ৩০ আগস্ট – সারাদেশে অবৈধ হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। অভিযানের প্রথম দিনেই রাজধানীর আটটি ও চট্টগ্রামে ১৭টি বেসরকারি চিকিৎসা কেন্দ্রে বন্ধ করা হয়েছে।

সোমবার (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, রাজধানীর ছয়টি এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এদিন বনানীতে দুটি, লালবাগে দুটি, খিলগাঁওয়ে দুটি এবং যাত্রাবাড়ীতে দুটি ক্লিনিক ও হাসপাতাল বন্ধ করা হয়। এগুলো অবৈধভাবে চলছিল।

ঢাকায় বন্ধ হওয়া চিকিৎসা কেন্দ্র হলো

বনানীর ঢাকা পেইন অ্যান্ড স্পাইন সেন্টার, খিলগাঁও জেনারেল হাসপাতাল, সেন্ট্রাল বাসাবো জেনারেল হাসপাতাল, মাতুয়াইলের কনক জেনারেল হাসপাতাল, শনির আখড়ার সালমান হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, বকশিবাজারের খিদমাহ লাইফ কেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও চানখাঁরপুলের ঢাকা জেনারেল হাসপাতাল।

ঢাকা জেনারেল হাসপাতালে অভিযান চালাতে গিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার সহকারী পরিচালক ও ডা. মো. বিল্লাল হোসেন বলেন, গত জুন মাসে এই হাসপাতালটিতে এসেছিলাম, তখন হাসপাতালটি বন্ধের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আইন উপেক্ষা করে তারা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। নিয়মিত রোগী ভর্তি করছে, অপারেশনসহ নিয়মিত পরীক্ষা-নিরীক্ষাও করছে।

তিনি আরও বলেন, হাসপাতালটির অপারেশন থিয়েটার থেকে শুরু করে কোনোটাই মানসম্মত না। অনিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান এভাবে চলতে পারে না। তাই আজকেই বন্ধের নির্দেশনা দিচ্ছি। তারা বলেছে লাইসেন্সের জন্য আবেদন করেছে, কিন্তু এখনো লাইসেন্স পায়নি। কিন্তু আমরা এখানে দেখতে পাচ্ছি যে, অপারেশন থিয়েটার থেকে শুরু করে অন্যান্য যেসব কার্যক্রম চলছে, সব জায়গা অস্বাস্থ্যকর।

খিদমাহ লাইফ কেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কথা উল্লেখ করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এই কর্মকর্তা বলেন,
ঢাকা জেনারেল হাসপাতালে আসার আগে খিদমাহ লাইফ কেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টার গিয়েছিলাম। সেই প্রতিষ্ঠানটিও অনুমোদনহীন হওয়ায় বন্ধ করা হয়েছে।

তিনি জানান, অবৈধ হাসপাতালে বিএমডিসির রেজিস্ট্রেশন ভুক্ত কোনো চিকিৎসক যদি প্রাইভেট প্র্যাকটিস করেন, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে বিএমডিসিতে লিখিত অভিযোগ দেবো।

এদিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এই অভিযান চলবে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত।

সূত্র: জাগোনিউজ
আইএ/ ৩০ আগস্ট ২০২২

Back to top button