জাতীয়

পদ্মা সেতু চালুর পর বিআইডব্লিউটিসির আয় কমেছে: নৌ প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ২৯ আগস্ট ২০২২ – পদ্মা সেতু চালুর পরে দক্ষিণাঞ্চলের নৌ-রুটগুলোতে যাত্রী কমে গেছে বলে সংসদকে জানিয়েছেন নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। এতে করে অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) আয়ও কমেছে বলে প্রতিমন্ত্রী জানান।

সোমবার সংসদের বৈঠকে তিনি এসব তথ্য জানান। এর আগে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়।

সংরক্ষিত আসনের সদস্য সৈয়দা রুবিনা আক্তারের প্রশ্নের জবাবে নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, পদ্মা সেতু নির্মাণের ফলে দক্ষিণাঞ্চলের যাত্রীদের সড়কপথে দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিজ গন্তব্যস্থলে যাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। নৌ-পথে চলাচলে সময় বেশি প্রয়োজন হওয়ায় ঢাকা-চাঁদপুর, ঢাকা-ইলিশাসহ কয়েকটি নৌপথ ব্যতীত প্রায় সকল নৌপথে যাত্রী চলাচলের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যহারে কমে গেছে। পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর শিমুলিয়া-বাংলাবাজার, শিমুলিয়া-মাঝিকান্দি নৌপথে চলাচলকারী ৮৭টি লঞ্চ, ১৫৫টি স্পিডবোটের চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। ঢাকা নদী বন্দর হতে দক্ষিণাঞ্চলগামী প্রতিদিন গড়ে ৮৫/৯০টি লঞ্চ চলাচল করতো। বর্তমানে সেখানে গড়ে ৬০/৬৫টি লঞ্চ চলাচল করছে। আগামী ৬ মাসের মধ্যে নৌপথে যাত্রী চলাচলের সংখ্যা বর্তমানের চেয়ে কিছুটা বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তিনি বলেন, পদ্মাসেতু চালুর ফলে বিআইডব্লিউটিসির রকেট/স্টিমারের যাত্রী সংখ্যা অতিমাত্রায় কমে গেছে। এ ছাড়া মাওয়া-মাঝিকান্দি ফেরি রুটে ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। দৌলতদিয়া ফেরি রুটেও যানবাহন চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। এতে সংস্থার রাজস্ব আয়ও কমেছে।

বেনজীর আহমেদের প্রশ্নের জবাবে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী জানান, সারা দেশে প্রায় ১৩ হাজার ৫৬৪ জন অবৈধ নদী দখলদারকে উচ্ছেদ করা হয়েছে।

মন্ত্রী জানান, সাশ্রয়ী মূল্যে যাত্রী ও মালামাল পরিবহনের নতুন নৌরুট সৃষ্টি করার সম্ভাবনা যাচাই করা হচ্ছে। নৌপথ জনবান্ধব করার জন্য দ্রুতগতি সম্পন্ন আধুনিক নৌযান সংযোজনসহ নৌ দুর্ঘটনারোধে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। আধুনিক নৌবন্দর স্থাপন করে নৌপথে যাত্রীদের যাতায়াত ব্যবস্থা আনন্দদায়ক ও নিরাপদ করা হয়েছে।

সূত্র: সমকাল
আইএ/ ২৯ আগস্ট ২০২২

Back to top button