ঢালিউড

সোনালি অতীত থাকলেও বিবর্ণ এফডিসি

মহিব আল হাসান

ঢাকা, ০৯ অক্টোবর- রাজধানীর তেজগাঁয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (এফডিসি)। ১৯৫৭ সালে, নির্মিত হলেও ১৯৫৯ সাল থেকে চলচ্চিত্র নির্মাণ শুরু হতে থাকে। আখতার জং কারদার পরিচালিত ‘জাগো হুয়া সাভেরা’ চলচ্চিত্র দিয়ে এফডিসিতে সিনেমা নির্মাণ শুরু হয়। এ পর্যন্ত চলচ্চিত্রের এই আঁতুড়ঘর থেকে প্রায় তিন হাজার চলচ্চিত্র মুক্তি পেয়েছে।

সময়ের বিবর্তনে এফডিসি হারিয়েছে পুরানো জৌলুস। সোনালি অতীত থাকলেও বর্তমানে এফডিসি বিবর্ণ, শুটিংবিহীন। একদা রাজ্জাক,আলমগীর, জসীম, ববিতা, শাবানা কিংবা সুচন্দাদের সরব উপস্থিতি ছিল এফডিসিতে। পরবর্তীতে সালমান শাহ, মান্না, ওমর সানী, শাবনূর, মৌসুমী, পূর্ণিমাদেরও পদচারণায় মুখর থাকত এফডিসি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে হারিয়েছে সব, এফডিসি এখন কুকুড়-বিড়ালের অভয়ারণ্য।

অধিকাংশ সময় কাজ না থাকায় শুটিং ফ্লোরে দিনের বেলায় ঘুমিয়ে আছেন কর্মচারীরা। চলচ্চিত্র নির্মাণ কমায় এফডিসির দুটি শুটিং ফ্লোর ভেঙে নির্মাণ হচ্ছে বাণিজ্যিক ভবন।

নির্মাতা বদিউল আলম খোকন মনে করেন, চলচ্চিত্রে চড়াই-উতরাই থাকবেই। সোনালি অতীত ফিরে না পেলেও চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রি ঘুরে দাঁড়াবেই। হতাশ না হয়ে আশার কথা শোনালেন এ প্রযোজক।

করোনার প্রকোপে বন্ধ থাকা সিনেমা হলগুলো চলতি মাসের ১৬ তারিখে খোলার কথা রয়েছে। হল নিয়ে নতুন ভাবনার কাথাও জানালেন এ প্রযোজক।

আরও পড়ুন: টিভিতে দেখা যাবে ‘বিরতিহীন’ সিনেমা

এফডিসিতে চলচ্চিত্রের কাজ কমার মূল কারণ হিসেবে এফডিসির চড়া মূল্যের কথা বলেন প্রযোজক ইকবাল হোসেন। তিনি মনে করেন এফডিসিতে শুটিং করতে এসে নির্মাণব্যয় অনেকাংশে বেড়ে যায়, যা বাইরে শুটিং করার চেয়ে দ্বিগুণ।

তবে আশার কথা হচ্ছে চলচ্চিত্র শিল্পকে এগিয়ে নিতে বেশকিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন চলচ্চিত্রবান্ধব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়িত হলেই এদেশের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি চেনারূপে ফিরবে।

সূত্রঃ সময় নিউজ
আডি/ ০৯ অক্টোবর

Back to top button