জাতীয়

প্রধানমন্ত্রীর কাছে চক্রান্তকারীদের নাম জানতে চাই

ঢাকা, ৪ আগস্ট – ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, তাকে ক্ষমতা থেকে সরাতে নাকি আবার নতুন করে চক্রান্ত শুরু হচ্ছে ও তিনি চক্রান্তকারীদের চেনেন। আমি পরিস্কার করে জানতে চাই- আপনি (শেখ হাসিনা) দয়া করে তাদের নামগুলো উচ্চারণ করুন। কারা চক্রান্ত করছে আমরাও জানতে চাই।’

বৃহস্পতিবার (৪ আগষ্ট) জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক সেমিনারে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এসব মন্তব্য করেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, তথ্যমন্ত্রী আমার বিষয়ে বলেছেন, চক্রান্তের কথা সবচেয়ে বেশি আমিই বলি। পরিস্কার করে বলছি, চক্রান্ত নয়- আমরা জনগণের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে এ সরকারকে সরাতে চাই। এর জন্য আপনারা আমাকে যদি ফাঁসি দিতে চান, দেন।

তিনি বলেন, ‘একটা কথা পরিস্কার করে বলতে চাই সরকারকে সরানোর আন্দোলন কোনো চক্রান্ত নয়। আমরা প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়ে বলতে চাই, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ফ্যাসিবাদী-কতৃত্ববাদী এ সরকারকে সরিয়ে আমরা জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে চাই। এখানে চক্রান্তের কোনো প্রশ্ন উঠতেই পারে না।

আওয়ামী লীগ কখন কোন কালে গনতন্ত্রের পক্ষে ছিল প্রশ্ন রেখে বিএনপি মহাসচিব বলেন, এর আগেও দলটির নেতারা বলেছিলেন, আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রের পক্ষে, প্রকৃতপক্ষে তারা গনতন্ত্রে বিশ্বাসই করেন না। প্রতিটি ব্যক্তি ও সংগঠনের এক একেকটা চরিত্র থাকে, আওয়ামী লীগের চরিত্রটাই হলো প্রতারণার। তারা মুখে বলবে ভালো কথা, কিন্তু কাজটা করবে উল্টো।

বর্তমানে ডিএনএ টেস্ট করে চাকরি দেওয়া হয় উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, একজন মেধাবী ছাত্র বিসিএস পরীক্ষা দিয়েও আওয়ামী লীগ পক্ষের লোক না হন কিংবা বিরোধী দলের কারও আত্নীয়-স্বজন হন তাহলে তিনি চাকরি পাবেন না।

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, আওয়ামী লীগ আমাদের সব আশা-আকাঙ্ক্ষা, ১৯৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধের অর্জনগুলো ধ্বংস করে দিয়েছে। দেশের প্রতিটি গনতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দিয়েছে। বিচার বিভাগ ধ্বংস করেছে, প্রশাসন ধ্বংস করেছে।

ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কাদের গনি চৌধুরীর সভাপতিত্ব সভায় আরও বক্তব্য দেন প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি শওকত মাহমুদ, সাংবাদিক নেতা রুহুল আমিন গাজী, প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাবেক সভাপতি মুরসালিন নোমানী প্রমুখ।

সূত্র: জাগোনিউজ
আইএ/ ৪ আগস্ট ২০২২

Back to top button