জাতীয়

অধিকাংশ বিক্রেতা নামমাত্র দামে খাসির চামড়া বিক্রি

ঢাকা, ১০ জুলাই – চলতি বছর লবণযুক্ত খাসির চামড়ার দর ৩ টাকা বাড়িয়ে প্রতি বর্গফুটের দাম ১৮ থেকে ২০ টাকা নির্ধারণ করা হলেও নামমাত্র দামে বিক্রি হয়েছে কোরবানির খাসির চামড়া। অধিকাংশ বিক্রেতা নামমাত্র মূল্যে খাসির কাঁচা চামড়া বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছেন।

রোববার দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এমন চিত্রই দেখা গেছে।

চলতি বছর লবণযুক্ত খাসির চামড়ার দর ৩ টাকা বাড়িয়ে প্রতি বর্গফুটের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ থেকে ২০ টাকা। আর বকরির দাম অপরিবর্তিত, অর্থাৎ ১২ থেকে ১৪ টাকা। সাধারণত বড় আকারের একটি খাসির চামড়া পাঁচ বর্গফুটের বেশি হয়। সে হিসাবে লবণযুক্ত একেকটি চামড়ার দাম হওয়ার কথা ১০০ টাকার বেশি।

চামড়া ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, লবণযুক্ত একটা খাসির চামড়া সব খরচ মিলিয়ে ৩৫–৪০ টাকা লাগে। এই হিসাব অনুসারে খাসির কাঁচা চামড়ার দাম আরও বেশি হওয়ার কথা। সব জায়গাতেই মাঝারি ও বড় আকারের খাসির চামড়া ১০ থেকে ১৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। ছোট আকারের খাসির চামড়া বিক্রি হয়েছে ৫ টাকায়।

এদিকে রাজধানীর পুরান ঢাকার পোস্তায় গিয়ে দেখা যায়, সারি সারি পিকআপ ও ট্রাকে করে কোরবানির পশুর চামড়া আড়তে আসছে। তার অধিকাংশই গরুর চামড়া। খাসির চামড়ার ক্রেতা–বিক্রেতা উভয়ই কম। পোস্তার ছয়–সাতটি আড়তের সঙ্গে কথা বলে দেখা গেছে, তারা কেউ খাসির চামড়া কিনছে না। শুধু গরুর চামড়া কিনছে। তবে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে দু–তিনজন ছোট ব্যবসায়ীকে ১০ টাকা দরে খাসির চামড়া কিনতে দেখা গেছে।

পোস্তার চামড়া ব্যবসায়ী কামাল বলেন, আমি ১০ টাকা দরে ছাগলের ৮০টি চামড়া কিনেছি।

বাংলাদেশ হাইড অ্যান্ড স্কিন মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক টিপু সুলতান গণমাধ্যমকে বলেন, ট্যানারিগুলোতে খাসির চামড়ার কোনো চাহিদা নেই। তাই বাজারে দামও নেই।

সূত্র : বাংলাদেশ জার্নাল
এম এস, ১০ জুলাই

Back to top button