জানা-অজানা

যে পাঁচ কারণে বরিস জনসনের পতন

গত দুইদিনের নাটকীয়তার অবসান ঘটিয়ে বৃহস্পতিবার পদত্যাগ করার ঘোষণা দেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।

বরিস জনসনের পতনের পাঁচটি কারণ খুঁজে বের করেছে গণমাধ্যম।

প্রথম কারণ হলো ক্রিস পিনচার কেলেঙ্কারি: ক্রিস পিনচার ছিলেন কনজারভেটিভ পার্টির প্রধান হুইপ। গত ২৯ জুন ক্রিস পিনচার একটি পার্টিতে গিয়ে অতিরিক্ত মদ্যপান করে দুইজন পুরুষকে জড়িয়ে ধরেন।

এর জেরে পিনচার পদত্যাগ করেন। তবে সঙ্গে বেরিয়ে আসে অন্য তথ্যও। সেটি হলো পিনচার আগেও এমন করেছিলেন। কিন্তু বরিস সেটি জানা সত্ত্বেও তাকে প্রধান হুইপ করেছিলেন। এ খবর সামনে আসার পর কনজারভেটিভ পার্টির অন্য সদস্যরা ক্ষিপ্ত হন।

পার্টিগেট কেলেঙ্কারি: ২০২০ সালে করোনার কারণে পুরো বিশ্বের মতো যুক্তরাজ্যেও কঠোর বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয়। ওই সময় মৃত আত্মীয় স্বজনের শেষকৃত্যেও যেতে পারেনি সাধারণ ব্রিটিশরা। কিন্তু ওই সময় নিজের সরকারি বাসভবনে আইন অমান্য করে পার্টি করেন বরিস জনসন। এটি তার পতনের আরেকটি কারণ।

জীবন যাত্রার মূল্য বৃদ্ধি: যুক্তরাজ্যে সাধারণ মানুষের জীবন যাত্রার মূল্য বেড়ে যাওয়া বরিসের পতনের আরেকটি কারণ।

ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের প্রভাব যুক্তরাজ্যেও পড়েছে। জ্বালানির মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে বরিস জ্বালানির ওপর কর কমিয়ে দেন। কিন্তু এপ্রিলে তিনি ট্যাক্স বাড়িয়ে দেন।

ওয়েন প্যাটারসন দ্বন্দ্ব: ২০২১ সালের অক্টোবর মাসে যুক্তরাজ্যের সংসদীয় কমিটি তৎকালীন কনজারভেটিভ এমপি ওয়েন প্যাটারসনের সংসদ সদস্যপদ ৩০ দিনের জন্য স্থগিত করে দেওয়ার জন্য রিপোর্ট দিয়েছিল।

ওয়েন প্যাটারসন লবিং নিয়ম ভেঙে একটি কোম্পানিকে সুবিধা দিতে চেয়েছিলেন।

বরিস জনসন ওই সময় এর বিরুদ্ধে যান এবং তার সংসদ সদস্য পদ স্থগিত করার বিষয়টি বাতিল করে দেন।

কিন্তু পরবর্তীতে ঠিকই ওয়েন পদত্যাগ করেন। বরিস জনসনও স্বীকার করেন তার পক্ষে গিয়ে ভুল করেছিলেন তিনি।

নজর রাখার অভাব: বরিস জনসন ২০১৯ সালে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে প্রধানমন্ত্রী হন। কিন্তু পরবর্তীতে তিনি নজর রাখতে পারেননি সরকারের মধ্যে কি হচ্ছে।

এম এস, ১০ জুলাই

Back to top button