আসাম

ভাগ্য বদলে যাচ্ছে আসামের ৫০ লাখ মুসলিমের

দিসপুর, ০৭ জুলাই – আসামের পাঁচটি অসমিয়া মুসলিম সম্প্রদায়কে আদিবাসী হিসেবে মর্যাদা দিতে যাচ্ছে রাজ্য সরকার। এর মাধ্যমে আসামে বাংলাভাষী মুসলমানদের থেকে আলাদা হিসেবে গণ্য হবেন অসমিয়াভাষী মুসলমানরা। মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা বলেছেন, এই পদক্ষেপ স্বাস্থ্য, সাংস্কৃতিক পরিচয়, শিক্ষা, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং নারীর ক্ষমতায়নে তাদের উন্নয়ন নিশ্চিত করবে।

আদিবাসী স্বীকৃতি পাওয়া সম্প্রদায়গুলো হলো- গোরিয়া, মোরিয়া, দেশী, জুলাহ ও সৈয়দ। এই পাঁচ মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষের অসমিয়া মুসলিম উপগোষ্ঠী বা আদিবাসী অসমিয়া মুসলিম হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হবে। আসামের মন্ত্রিসভা মঙ্গলবার এ-সংক্রান্ত প্রস্তাব অনুমোদনের পর মুখ্যমন্ত্রী শর্মা টুইটে এ তথ্য জানিয়েছেন।

রাজ্য সরকার জানায়, অসম সংখ্যালঘু উন্নয়ন পর্ষদের আবেদনের ভিত্তিতে এই শংসাপত্র তৈরি করা হয়েছে। এর ফলে সহজে সংখ্যালঘুদের চিহ্নিত করা যাবে। তাদের জন্য একাধিক সরকারি কল্যাণমূলক প্রকল্প রয়েছে, আলাদা দপ্তর রয়েছে। এবারের এই পদক্ষেপের পর সংখ্যালঘুদের চিহ্নিত করে সরকারি সাহায্য পৌঁছে দেওয়া যাবে। এ জন্য সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন গোরিয়া উন্নয়ন পরিষদের চেয়ারপারসন হাফিজউল আহমেদ।

আসামের ৩ কোটি ১২ লাখ জনসংখ্যার ৪৩ ভাগই মুসলমান, যার মধ্যে চার শতাংশ হলো ‘আদিবাসী অসমিয়া মুসলমান’ এবং বাকিদের অধিকাংশই বাংলাভাষী মুসলমান। এর মধ্যে অন্তত ৫০ লাখ মুসলিম ভারতের নাগরিকত্ব পাওয়া না পাওয়ার জটিলতায় রয়েছেন। বলা হচ্ছে, তাঁরা বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন সময় আসামে গিয়েছেন। যদিও নানা প্রতিবাদের মুখে নাগরিকত্ব আইন (এনআরসি) থেকে সরে এসেছে দেশটির সরকার।

সূত্র : সমকাল
এম এস, ০৭ জুলাই

Back to top button