জাতীয়

ভয়াবহ বন্যায়ও সরকার জনগণের পাশে নেই: গয়েশ্বর

সিলেট, ০৪ জুলাই – বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, চলমান ভয়াবহ বন্যায়ও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার জনগণের পাশে নেই। আওয়ামী লীগ জনগণের জান-মালের নিরাপত্তা দিতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। তাই পুরো দমে ব্যর্থ এই সরকারকে ক্ষমতার মসনদ থেকে বিতাড়িত করতে হবে। চলমান বন্যার পরে একদফা আন্দোলনের মাধ্যমে এই লুটেরা বাকশালী সরকারের পতন ঘটানো হবে।

সোমবার বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানের পক্ষ থেকে দক্ষিণ সুরমা উপজেলার এক হাজার বানভাসি পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ পূর্ব সংক্ষিপ্ত সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

দক্ষিণ সুরমা উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাজী সাহাব উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক কোহিনুর আহমদের পরিচালনায় আরো বক্তব্য রাখেন, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির চৌধুরী, বিএনপির মিডিয়া সেলের প্রধান ও সাবেক সংসদ সদস্য জহির উদ্দিন স্বপন, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম আহমদ।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ডা. জুবাইদা রহমান ঐতিহ্যবাহী পরিবারের সন্তান। তার পূর্ব পুরুষরা যেভাবে দেশের মাটি ও মানুষের কল্যাণে কাজ করেছেন সেই ধারাবাহিকতায় তিনিও দেশবাসীর যেকোনো দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়ান। কিন্তু দুঃখের বিষয় এই স্বৈরাচারী সরকার তার নামেও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। যা একটি স্বাধীন দেশের জন্য অত্যন্ত দুঃখজনক। দেশের জনগণ একদিন এর দাঁতভাঙা জবাব দেবে।

উপস্থিত জনগণের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনারা পানিবন্দি আর আমার আপনার নেত্রী গৃহবন্দি। আমাদের নেতা তারেক রহমান যুক্তরাজ্যে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তারপরও সেখান থেকে দেশের মানুষের কল্যাণের কথা ভাবছেন, দেশের জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার কথা ভাবছেন, গণতন্ত্র ফেরাতে কাজ করছেন।

গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনতে হলে আন্দোলনের বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেন গয়েশ্বর। তিনি বলেন, আমরা যদি আমাদের নেতা তারেক রহমানকে নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনতে চাই, তাহলে আমাদের আন্দোলন করতে হবে। আমি বিশ্বাস করি, তিনি যেখানেই থাকুক আমরা যদি তার নির্দেশনা শতভাগ বাস্তবায়ন করতে পারি, তাহলে এই সরকার নেই, সরকার থাকবে না।

সূত্র : বাংলাদেশ জার্নাল
এম এস, ০৪ জুলাই

Back to top button