ইউরোপ

দোনবাসে শেষ মুক্ত শহরের অর্ধেক রাশিয়ার দখলে

কিয়েভ, ৩১ মে – রুশ হামলা মোকাবেলা করে ইউক্রেনীয় বাহিনী এখনও পূর্ব ইউক্রেনের শহর সেভেরোদোনেতস্ক লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। খবরে বলা হয়, মঙ্গলবার শহরটির অর্ধেক অংশ রুশ বাহিনীর দখলে চলে গেছে।

রুশ বাহিনীর লক্ষ্য সেভেরোদোনেতস্ক শহর দখলের মাধ্যমে পুরো দোনবাসের দখল নিজেদের করে নেয়া। বোমা হামলা আর ব্যাপক গুলিবর্ষণের কারণে শহরটি কার্যত ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে।

উভয় পক্ষই বলছে, রুশ বাহিনী এখন শহরের এক তৃতীয়াংশ বা অর্ধেক নিয়ন্ত্রণ করছে। রুশপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদী যোদ্ধারা স্বীকার করেছেন যে, যুদ্ধের সবচেয়ে বড় স্থল হামলার মধ্যেও শহরটির নিয়ন্ত্রণ নেয়ায় প্রত্যাশার চেয়ে বেশি সময় লাগছে।

পশ্চিমা সামরিক বিশ্লেষকরা বলছেন, মস্কো সেভেরোদোনেতস্কে মনোনিবেশ করার জন্য ইউক্রেনের অন্য অংশগুলো থেকে জনশক্তি এবং ভারি অস্ত্র সরিয়ে এনেছে। এ কারণে রাশিয়া ছোট শিল্প নগরীটিতে হামলার জোর আরও বাড়াতে পারে।

মস্কোপন্থী লুহানস্ক পিপলস রিপাবলিকের নেতা লিওনিড পাসেচনিক রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা তাসকে বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে বলতে পারি যে, সেভেরোদোনেতস্কের এক তৃতীয়াংশ ইতোমধ্যে আমাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।’

তিনি বলেন, মস্কোপন্থী বাহিনী ‘শহরের অবকাঠামো বজায় রাখতে’ চায় এবং রাসায়নিক কারখানার চারপাশে সতর্কতার কারণে ধীরে ধীরে অগ্রসর হচ্ছে।

তবে ইউক্রেন বলছে, রাশিয়া নিরবচ্ছিন্ন বোমাবর্ষণের মাধ্যমে শহরের সব গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ধ্বংস করেছে। এতে বিপুল সংখ্যক মানুষ হতাহত হয়েছেন।

ইউক্রেনের শহর প্রশাসনের প্রধান অলেক্সান্ডার স্ট্রাইক বলেন, রুশরা এখন শহরের অর্ধেক নিয়ন্ত্রণ করেছে। তিনি বলেন, ‘দুর্ভাগ্যবশত শহরটির অর্ধেক ভাগ হয়ে গেছে। কিন্তু একই সময়ে শহরটি এখনও নিজেকে রক্ষা করে চলেছে। এটি এখনও ইউক্রেনের।’

তিনি জানান, শহরের রাস্তায় ভারি অস্ত্র নিয়ে লড়াই অব্যাহত আছে; রুশ হামলা আনুমানিক ১৩ হাজার বেসামরিক নাগরিকের জীবন হুমকিতে ফেলেছে। রুশ আগ্রাসনের আগে শহরটিতে এক লাখের বেশি মানুসের বসবাস ছিল।

সূত্র : বাংলাদেশ জার্নাল
এম এস, ৩১ মে

Back to top button