জাতীয়

আগামী নির্বাচন গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে হবে : শেখ সেলিম

মাহমুদ

চট্টগ্রাম, ৩০ মে – আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম বলেছেন, আগামী নির্বাচন হবে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে। অন্যান্য গণতান্ত্রিক দেশ- ভারত, লন্ডন, অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকা ও কানাডায় যেভাবে নির্বাচন হয়, বাংলাদেশেও সেভাবে নির্বাচন হবে।

সোমবার (৩০ মে) বিকেলে চট্টগ্রামের একটি কনভেনশন সেন্টারে মহানগর যুবলীগের সম্মেলনের প্রথম অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ সেলিম বলেন, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন হবে। সংবিধানের বাইরে কোনো নির্বাচন হতে পারবে না। ২০২৩ সালে দেশে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ইয়াজউদ্দিনের মতো কোনো তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবে না।

তিনি বলেন, বিএনপি নির্বাচনে আসলে আসবে, না আসলে না আসবে। নির্বাচনে না আসলে তাদের দশা ন্যাপের মতো হবে। নির্বাচন না করে দল কোথায় হারিয়ে যায়, তার বর্তমান উদাহরণ ন্যাপ। বিএনপির অবস্থাও ন্যাপের মতো হবে, যদি নির্বাচন না করে। বিএনপির টিকে থাকার জন্য নির্বাচন করতে হবে।

শেখ সেলিম বলেন, দেশের এক নম্বর কালপ্রিট জিয়াউর রহমান। তিনি বেঁচে থাকলে বঙ্গবন্ধু হত্যায় তার ফাঁসি হতো।

বিএনপির সমালোচনা করে শেখ ফজলুল করিম সেলিম বলেন, বিএনপি সরকার পতনের যত কথা বলে, ততই সরকারের মেয়াদ বাড়ে। ২০১৩ সাল থেকে তারা সরকার পতনের কথা বলে আসছে। ক্যান্টনমেন্টে সৃষ্ট রাজনৈতিক দল কখনো গণতান্ত্রিক হতে পারে না।

আওয়ামী লীগের এই নেতা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, আর কোনো দিন ১৫ আগস্ট হবে না। কোনোদিন অবৈধ শক্তি ক্ষমতা নিতে পারবে না। যদি কেউ অবৈধভাবে ক্ষমতা নেওয়ার চেষ্টা করে, ক্ষমতা নেওয়ার জন্য তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হবে। এটা আমরা সংসদে আইন আকারে পাশ করেছি। কেউ ক্ষমতায় এসে এটা বাতিলও করতে পারবে না। বিএনপির চেহারা জনগণের সামনে উন্মোচিত করতে হবে। জিয়া হলো পাকিস্তানের এজেন্ট। তার বাবা-মায়ের কবর পাকিস্তানে। জিয়া বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করেছে।

পদ্মা সেতুর উদ্বোধন হলে প্রবৃদ্ধি আড়াই শতাংশ বৃদ্ধি পাবে উল্লেখ করে সেলিম বলেন, পদ্মা সেতুর ফলে জীবনযাত্রা পরিবর্তন হয়ে যাবে।

আওয়ামী লীগ সরকার ২০৪০ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকবে উল্লেখ করে ফজলুল করিম সেলিম বলেন, যতদিন জননেত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকবেন ততদিন জনগণ কষ্টে থাকবে না। বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কার মতো হবে না। এই অবস্থা বাংলাদেশে হয়নি। বাংলাদেশে তেলের দাম, গ্যাসের দামসহ জিনিসপত্রের দাম বেড়েছে। আমেরিকায়ও দ্রব্যমূল্যের দাম ৭০ ভাগ বেড়েছে। মানুষের কষ্ট হয় বুঝতে পারি। শেখ হাসিনা ক্রয়ক্ষমতা মানুষের নাগালে রাখার চেষ্টা করছেন। ইউরোপ-আমেরিকার চেয়ে বাংলাদেশের অবস্থা ভালো। শেখ হাসিনা বেঁচে থাকলে সিঙ্গাপুরের মতো হবে বাংলাদেশ।

সূত্র : আরটিভি
এম এস, ৩০ মে

Back to top button