ফুটবল

ফাইনালে যেসব ‘কুসংস্কার’ মেনে চলে রিয়াল

আরেকটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে রিয়াল মাদ্রিদ। ইউরোপের আসরের সেরা দল তারা। সবচেয়ে বেশি শিরোপাও জিতেছে। তারপরও ফাইনালের আগে ব্লাঙ্কোসরা কিছু সংস্কার মেনে চলে। লিভারপুলের বিপক্ষে আগুনে ম্যাচের আগেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি।

উদযাপন থাকবে গোপন

রিয়াল মাদ্রিদ শিরোপা জয়ের পর কীভাবে উদযাপন করবে সেটা গোপন রাখে। পেটে বোমা মারলেও দলের কেউ উদযাপনের তথ্য ফাঁস করে না।

সংবাদ সম্মেলনে কুসংস্কার

ম্যাচের আগে প্রতি দলের একজন সংবাদ সম্মেলনে আসেন। এটা নিয়ম। কোন এক ফুটবলার সংবাদ সম্মেলনে আসার পরে যদি রিয়াল ম্যাচ হারে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ওই মৌসুমে তাকে আর সংবাদ সম্মেলনে পাঠানো হয় না। যেমন শেষ ষোলোয় পিএসজি’র বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে হেরেছিল রিয়াল। ওই ম্যাচের আগে প্রেসের সামনে এসেছিলেন বেনজেমা। নিজ দেশ প্যারিসে ফাইনাল হলেও তাই বেনজেমাকে পাঠানো হয়নি প্রেসের সামনে।

রিয়াল মাদ্রিদের লাকি এনাউন্সার

লিসবন ফাইনালে এনাউন্সার ছিলেন ন্যাচো পেনা। এরপর থেকে প্রতি আসরের ফাইনালে তাকে রাখে রিয়ার মাদ্রিদ। ডাইরেক্ট টিভির এনাউন্সারকে লাকি মনে করে ব্লাঙ্কোসরা।

সবার পরে বাস থেকে নামেন ক্রস

রিয়াল মাদ্রিদের সিনিয়র ফুটবলার টনি ক্রুস। কিন্তু দলের টিম বাস থেকে সবার পরে নামেন তিনি। এটা রিয়াল মাদ্রিদের একটি সংস্কার।

প্লেন ক্রু

লিসবন, মিলার, কার্ডিফের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে একই ক্রু রেখেছিল রিয়াল মাদ্রিদ। প্যারিস ফাইনাল ম্যাচের আগেও রিয়ালের বিশেষ বিমানে তাদের রাখার ব্যবস্থা করা হয়।

সূত্র : সমকাল
এম এস, ২৮ মে

Back to top button