জাতীয়

পি কে হালদারকে আনুষ্ঠঅনিকভাবে ফেরত চেয়েছে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্রসচিব

ঢাকা, ১৭ মে – অর্থপাচারের অভিযোগে ভারতে গ্রেপ্তার হওয়া প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদারকে ফেরত চেয়ে ভারতের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ। এদিকে পি কে হালদারসহ গ্রেপ্তার পাঁচজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড দিয়েছে ভারতের আদালত।

মঙ্গলবার পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামীর সঙ্গে বৈঠকের সময় পি কে হালদারকে দেশে ফেরত এনে বিচারের মুখোমুখি করতে সহযোগিতা চেয়েছেন।

পররাষ্ট্রসচিব সাংবাদিকদের বলেন, ‘দুর্নীতি দমন কমিশনের সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতেই তারা তাকে (পি কে হালদারকে) গ্রেপ্তার করেছে। এখন তাদেরও একটা আইনি প্রক্রিয়া আছে, সে অনুযায়ী প্রসেস হবে। তারা বলেছে, তাদের আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে তারা আমাদের সম্পূর্ণ সহযোগিতা করবে। তারপরে আমাদের রিকোয়েস্ট বিবেচনায় নেবে। তারা সম্পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে।

তিনি জানান, পি কে হালদারকে ফেরত চেয়ে কূটনৈতিক চ্যানেলে অনুরোধ জানানো হবে। সেখানে ভারতে তার অপরাধের তথ্যও জানতে চাওয়া হবে।

শনিবার পি কে হালদার, তার স্ত্রীসহ মোট ছয় জনকে পশ্চিমবঙ্গের অশোকনগর থেকে গ্রেপ্তার করে ভারতের ভারতের অর্থ সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা বাহিনী এনফোর্সমেন্ট ডিরেকটরেট (ইডি)।

মঙ্গলবার পি কে হালদারসহ পাঁচ জনকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। শুনানির পর আদালত রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেন।

তবে তার স্ত্রীকে ১০ দিনের জন্য জুডিশিয়াল কাস্টডি বা বিচারিক হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। সেখানে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দেয়া হয়েছে।

আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর অরিজিৎ চক্রবর্তী সাংবাদিকদের বলেছেন, এদের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের মামলা করা হয়েছে। সেই মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড দেয়া হয়েছে।

পি কে হালদারের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ থেকে প্রায় সাড়ে ছয় হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠার পর দীর্ঘদিন ধরেই তিনি পলাতক ছিলেন। পি কে হালদার এবং তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে মোট ৩৪টি মামলা করেছে দুদক।

সূত্র : দেশ রূপান্তর
এম এস, ১৭ মে

Back to top button