জাতীয়

পি কে হালদারকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঢাকা, ১৪ মে – পশ্চিমবঙ্গে গ্রেপ্তার পি কে হালদারকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। শনিবার বিকেলে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পি কে হালদারের গ্রেপ্তার নিয়ে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে আমাদের কাছে কোনও খবর আসেনি। এলে পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নেব। তার নামে বাংলাদেশে একাধিক মামলা রয়েছে। সার্বিক অবস্থা বুঝে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

আসাদুজ্জামান খান বলেন, পি কে হালদারকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য অবশ্যই আমরা ভারতের সহযোগিতা চাইবো। এ নিয়ে পরবর্তী প্রক্রিয়া সম্পর্কে ভাবা হচ্ছে। তাকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে।

পি কে হালদারদের গ্রেপ্তারে ভারতের কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রণালয়ের তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) অভিযান চালায়। বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুরোধে এ অভিযানে নামে তারা।

শুক্রবার সকাল থেকেই পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায় ভারতের অর্থ-সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা বাহিনী এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টরেট (ইডি)। দেশটির গোয়েন্দা সংস্থার দাবি অনুযায়ী, শনিবার সকালে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে তাকে ও তার ভাইসহ মোট ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ থেকে প্রায় সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করে পালিয়ে যায় প্রশান্ত কুমার হালদার (পি কে হালদার)। বেশ কিছু আর্থিক প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালনকালে এই অর্থপাচার করেছিলেন তিনি। তাকে গ্রেপ্তার করতে রেড অ্যালার্ট জারি করেছিল ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল পুলিশ অর্গানাইজেশন (ইন্টারপোল)। তার বিরুদ্ধে দুদকসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান একাধিক মামলা করেছে।

২০১৯ সালের ২৩ অক্টোবর বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে সড়কপথে দেশত্যাগ করেন পিকে হালদার। এর আগের দিন পি কে হালদারের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে ডাকযোগে ইমিগ্রেশন পুলিশ বরাবরে চিঠি পাঠায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এই চিঠি ২৩ অক্টোবর বিকেল সাড়ে ৪টায় ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে পৌঁছায়।

নানা কৌশল করে এসব প্রতিষ্ঠান দখল করেছেন মূলত একজন ব্যক্তি। প্রতিষ্ঠান দখল করার জন্য নামে-বেনামে অসংখ্য কোম্পানি খুলেছেন, শেয়ারবাজার থেকে বিপুল পরিমাণ শেয়ার কিনেছেন, দখল করা আর্থিক প্রতিষ্ঠান।

সূত্র : বাংলাদেশ জার্নাল
এম এস, ১৪ মে

Back to top button