পুষ্টি

আমলকীর যত গুণ

আমলকী হল সবচাইতে উপকারি ভেষজের মাঝে একটি। এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। প্রতিদিন ভিটামিন ট্যাবলেট না খেয়ে একটি করে আমলকী খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। যার ফলে আপনার শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। কাঁচা আমলকী খাওয়া বেশ উপকারি। এছাড়া আমলকীর আচার কিংবা মোরব্বা বানিয়েও খেতে পারেন।

নিয়মিত আমলকী খাওয়ার অভ্যাস আপনার দেহের করবে বিস্ময়কর পরিবর্তন। কীভাবে জানতে চান? আসুন জানি এর উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নেই-

১) চুলের পরিচর্যার জন্য আমলকীর কোন জুড়ি নেই। প্রতিদিন আমলকী খেলে চুল পড়া রোধ হবে। বলা হয় আমলকী চুলের টনিক হিসেবে কাজ করে এবং এটি চুলের গোড়া মজবুত করতে এবং চুলের বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে। এছাড়া চুলের খুসকির সমস্যা দূর করতেও সাহায্য করে আমলকী।

২) যাদের এ্যাসিডিটির সমস্যা রয়েছে তাদের জন্য আমলকীর রস বেশ কার্যকরি। এক গ্লাস দুধ বা পানির মধ্যে আমলকী গুঁড়ো ও সামান্য চিনি মিশিয়ে দিনে দুবার খেতে পারেন। এটি পেটের গোলযোগ ও বদহজম রুখতে সাহায্য করে। এছাড়া আধা চূর্ণ শুষ্ক ফল এক গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে খাবেন। এতে করে হজম সমস্যা দূর হবে। এমনকি দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে এই আমলকীর রস। আমলকীর রস নিয়মিত পান করলে দাঁত থাকবে শক্ত ও মজবুত। যদি আপনার এ্যাজমার সমস্যা থেকে থাকে তাহলে আমলকীর জুস খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। এটি এ্যাজমার সমস্যার জন্যও বেশ উপকারী।

৩) আমলকী ত্বকের জন্য বেশ উপকারি। প্রতিদিন সকালে আমলকীর রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে ত্বকের কালো দাগ দূর হবে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াবে।

৪) মুখে রুচি ও স্বাদ বাড়াতে আমলকী খাবেন নিয়মিত। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং মানসিক চাপ কমায়।

৫) শরীরের অপ্রয়োজনীয় ফ্যাট ঝরাতে, কোলেস্টেরল লেভেল কমাতে ও ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে আমলকী। এছাড়া সর্দি-কাশি, পেটের ব্যাথা ও রক্তশূন্যতা দূরীকরণে বেশ ভালো কাজ করে থাকে।

নিজেকে সুস্থ রাখার জন্য নিয়মিত আমলকী খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। পাশাপাশি প্রচুর পানি পান করুন, এতে করে আপনি থাকবেন ড্রিহাইড্রেশন মুক্ত এবং সতেজ ও ফুরফুরে।

এম এস, ১১ মে

Back to top button