ইউরোপ

মারিউপোল ঘুরে গেলেন পুতিনের প্রতিনিধি

কিয়েভ, ০৫ মে – এই প্রথম মারিউপোলে পৌঁছালেন রাশিয়ার উচ্চপদস্থ প্রতিনিধি। অবশ্য এ বিষয়ে এখনও প্রকাশ্যে কোনও বিবৃতি দেয়নি ক্রেমলিন। ডোনেটস্কের রাশিয়াপন্থি বিচ্ছিন্নতবাদী নেতা ডেনিস পুশিলিন টেলিগ্রামে প্রথম এই খবর প্রকাশ করেন। তিনি জানিয়েছেন, সের্গেই কিরিয়েনকো মারিউপোলে গিয়েছিলেন, যিনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের অফিসে ডেপুটি সেনা প্রধানের দায়িত্ব সামলান। এর আগে রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বও সামলেছেন তিনি।

ডেনিস পুশিলিনের দাবি অনুয়ায়ী, বুধবার কিরিয়েনকো মারিউপোলে যান এবং পরিস্থিতি বুঝে আসেন। মারিউপোল এখন কার্যত রাশিয়ার হাতে। শুধুমাত্র একটি কারখানার ভিতর থেকে এখনও লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে ইউক্রেনের কিছু সেনা। রাশিয়াও লাগাতার সেখানে বোমাবর্ষণ করছে। ওই কারখানায় এখনও শতাধিক বেসামরিক ইউক্রেনের নাগরিক আটকে আছেন বলে মনে করা হচ্ছে।

রাশিয়ার পরমাণু কুচকাওয়াজ
বাল্টিক অঞ্চলে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বাল্টিক সাগরে রাশিয়ার জায়গা কালিনিনগ্রাদ। বুধবার সেখানেই পরমাণু অস্ত্রের মক ড্রিল করে রাশিয়ার সেনারা। পরমাণু শক্তি সম্পন্ন ব্যালেস্টিক মিসাইল ব্যবহারের কুচকাওয়াজ করা হয়। রাশিয়া জানিয়েছে, মিসাইল লঞ্চার, বিমানবন্দর, সামরিক কাঠামো, সামরিক অস্ত্র এবং কম্যান্ড পোস্ট ধ্বংসের মক ড্রিল করা হয়েছে। প্রায় ১০০ সেনা ওই মক ড্রিলে অংশ নিয়েছিল। রেডিয়েশন এবং রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার হলে কীভাবে তার সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে, তারও ড্রিল হয়েছে বলে রাশিয়া জানিয়েছে।

বাল্টিক সাগরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে আগেই। সুইডেন, ফিনল্যান্ড ন্যাটোয় যোগ দেওয়ার প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। রাশিয়া তখনই জানিয়েছিল, এমন হলে বাল্টিক সাগরে শক্তিসাম্য রক্ষা করা যাবে না। ওই অঞ্চলে পরমাণু অস্ত্র মজুত করবে তারা। মঙ্গলবারই জার্মানির চ্যান্সেলরের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে ফিনল্যান্ড এবং সুইডেনের রাষ্ট্রপ্রধানের। তারপরই রাশিয়ার এই ড্রিল তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

সূত্র: বিডি প্রতিদিন
এম ইউ/০৫ মে ২০২২

Back to top button