ক্রিকেট

কোহলি-শাস্ত্রির কারণে ২০১৯ বিশ্বকাপ খেলতে পেরেছেন ধোনি!

নয়াদিল্লি, ০৪ মে – ভারতের তো বটেই, ক্রিকেট ইতিহাসেরই অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার হিসেবে অবসর নিয়েছেন যুবরাজ সিং। তবে ক্যারিয়ারের শেষ দিকের সময়টা মোটেও মসৃণ ছিল না যুবরাজের। ২০১১ সালের বিশ্বকাপে ভারতকে চ্যাম্পিয়ন করে টুর্নামেন্টসেরা খেলোয়াড় হন তিনি।

এরপর আক্রান্ত হন ক্যানসারে। সেখান থেকে সুস্থ হয়ে মাঠে ফিরলেও, আর জাতীয় দলে নিয়মিত হতে পারেননি এ বাঁহাতি স্পিনিং অলরাউন্ডার। এই সময়ে প্রায়ই জোরালো সব মন্তব্য করেছেন যুবরাজ। বিশেষ করে ক্যারিয়ারের শেষ দিকে কারও কাছ থেকে সমর্থন না পাওয়ার অভিযোগও করেছেন তিনি।

আরও একবার যুবরাজের মুখ থেকে শোনা গেলো এমন মন্তব্য। এবার তিনি দাবি করছেন মূলত অধিনায়ক বিরাট কোহলি ও হেড কোচ রবি শাস্ত্রির কারণেই ২০১৯ সালের বিশ্বকাপটি খেলতে পেরেছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। এ উইকেটরক্ষক ব্যাটার যতটা সমর্থন পেয়েছেন, তা অন্যরা পান না বলেই দাবি যুবরাজের।

স্পোর্টস১৮কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে যুবরাজ বলেছেন, ‘যখন আপনি কোচ ও অধিনায়কের সমর্থন পান, তখন কাজ সহজ হয়ে যায়। আপনি ধোনির শেষ দিকে তারা। সে কোহলি ও শাস্ত্রির অনেক সমর্থন পেয়েছে। তারা ধোনিকে ২০১৯ বিশ্বকাপে নিয়েছে এবং শেষ পর্যন্ত ৩৫০ ম্যাচ খেলতে পেরেছে।’

যেকোনো খেলোয়াড়ের ক্যারিয়ারে এমন সমর্থন অনেক গুরুত্বপূর্ণ জানিয়ে যুবরাজ আরও বলেন, ‘আমার মতে যথাযথ সমর্থন পাওয়াটা খুব জরুরি। কিন্তু ভারতের ক্রিকেটে সবাই এমন সমর্থন পায় না।’

সমর্থনের অভাবে বেশ কয়েকজন সাবেক ক্রিকেটারের ক্যারিয়ার ইতিবাচকভাবে শেষ হতে পারেনি জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘হরভজন সিং, ভিরেন্দর শেবাগ, ভিভিএস লক্ষ্মণ, গৌতম গম্ভীরের মতো অনেক কিংবদন্তি খেলোয়াড় আছে যারা সমর্থন পায়নি।’

যুবরাজের শেষ কথা, ‘যখন আপনি ব্যাটিংয়ে নামার সময় দেখবেন সবসময় বাদ দেওয়ার একটা খড়গ আপনার মাথায় ঝুলছে, তখন আপনি কীভাবে ব্যাটিং করবেন কিংবা নিজের সেরাটা দেবেন? এটি কোনো অজুহাত নয়। তবে ভিন্ন কোচ এবং ২০১১ সালের বিশ্বকাপের পর সবকিছুই বদলে গেছে।’

সূত্র: জাগো নিউজ
এম এস, ০৪ মে

Back to top button