ফুটবল

প্রতিপক্ষের জালে গোলের হালি, ৩৫তম লিগ শিরোপা জয় রিয়ালের

আগে থেকেই শিরোপা জয়টা নিশ্চিত ছিলো রিয়ালের, দরকার ছিলো শুধু একটি পয়েন্ট। সেটিও ঘরের মাঠে শনিবার এস্পানিওলকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে তুলে নিলো রিয়াল মাদ্রিদ।

এর মাধ্যমেই চার ম্যাচ হাতে রেখেই শিরোপা উৎসবে মাতল রিয়াল মাদ্রিদ। এ নিয়ে রেকর্ড ৩৫ বারের মতো লা লিগা চ্যাম্পিয়ন হয়েছে স্প্যানিশ জায়ান্টরা।

ম্যাচে ধারালো সব আক্রমণে গিয়েছে এস্পানিওল। তবে কাঙ্ক্ষিত গোলটাই পায়নি তারা। ম্যাচে মোট ২০ শট নেয় এস্পানিওল, যার ৬টি ছিলো লক্ষ্যে। অন্যদিকে ১১ শটের ৫টি লক্ষ্যে রাখে রিয়াল, যার চারটিতেই গোল পেয়েছে রিয়াল।

ম্যাচের শুরু থেকেই দাপট নিয়ে খেলতে থাকা রিয়ালকে প্রথম গোলটা এনে দেন রদ্রিগো গোয়েজ। ৩৩ মিনিটে বক্সের বাম পাশ থেকে মার্সেলোর পাস থেকে প্রতিপক্ষ বিপদসীমায় চলে আসেন ব্রাজিলিয়ান এই ফরোয়ার্ড। এরপর এস্পানিয়ল রক্ষণ আর গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে দূরের পোস্টে শট করে ১-০ গোলে এগিয়ে দেন দলকে।

এর ঠিক ১০ মিনিট পর বিপদসীমার একটু সামনে প্রতিপক্ষের পা থেকে বল কেড়ে নিয়ে বক্সে চলে আসেন প্রথম গোল করা সেই রদ্রিগো। এরপর প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারদের চ্যালেঞ্জ এড়িয়ে কাছের পোস্টে করেন শট। আর এর মধ্যমেই দুই গোলের লিড পায় রিয়াল মাদ্রিদ। ২-০ গোলে এগিয়ে বিরতিতে যায় রিয়াল।

বিরতির থেকে ফিরে কিছু পরই গোল পেয়ে যান মার্কো অ্যাসেনসিও। প্রতি আক্রমণে বক্সের বাইরে থেকে এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গা পাস বাড়ান এগোতে থাকা স্প্যানিশ এই ফরোয়ার্ডকে। তা নিয়ে বক্সে ঢুকেই গোলটি করেন অ্যাসেনসিও।

রিয়ালকে পুরো মৌসুম জুড়েই টেনেছেন কারিম বেনজেমা। শিরোপা জেতার দিনে তার গোল না হলে যেন উৎসবে যেন একটু কমতি থেকে যেত। সেটা শেষমেশ হতে দেননি বেনজেমা, গোল পেয়েছেন ৮১ মিনিটে। ভিনিসিয়াস জুনিয়রের পাস থেকে সহজ এক গোল করে ব্যবধান ৪-০ করেন বেনজেমা।

তাতে ৩৪ ম্যাচে ৮১ পয়েন্ট হয়ে গেছে দলটির। দুই আর তিনে থাকা সেভিয়া আর বার্সেলোনা যদি নিজেদের শেষ সবকটি ম্যাচে জেতেও, আর রিয়াল যদি সব ম্যাচে হারে, তাহলেও দুই দল ধরতে পারবে না বেনজেমাদের। যার ফলে ৩৫তম বারের মতো লা লিগার শ্রেষ্ঠত্ব নিশ্চিত হয়ে যায় রিয়াল মাদ্রিদের।

সূত্র : বাংলাদেশ জার্নাল
এম এস, ০১ মে

Back to top button