ঢালিউড

এবার ইরানি পরিচালকের ছবিতে অভিনয় করছেন জয়া

ঢাকা, ১৭ এপ্রিল – বেশ কিছুদিন ধরেই গুঞ্জন চলছিল যে, ইরানি পরিচালকের সিনেমায় অভিনয় করতে যাচ্ছেন দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। কিন্তু এ বিষয়ে এতদিন নিশ্চিতভাবে কিছুই জানা যায়নি। তবে এবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দেশের জনপ্রিয় এ অভিনেত্রী।

ইনস্টাগ্রামে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে ইরানি পরিচালক মুর্তজা অতাশ জমজমের সঙ্গে একটি ছবি শেয়ার করেছেন জয়া।

সেখানে তিনি লিখেছেন, ১৪২৯ সালের প্রথম দিন পুরনো অভিজ্ঞতা নতুন করে অনুভব করার সুযোগ হলো। দিনব্যাপী কাজ করলাম সেই চারুকলা, সেই রমনার বটমূল প্রান্তরে। কত বছর পর সেখানে যাওয়া, তাও নববর্ষকে বরণ করে নেওয়ার এই বিশেষ দিনে, আহ্! অদ্ভুত ভাল লাগায় আচ্ছন্ন ছিলাম পুরোটা দিন।

ইনস্টাগ্রামে তিনি আরও লিখেছেন, আর এই সুযোগ করে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ ইরানি পরিচালক মুর্তজা অতাশ জমজম ও তার ইরানি ইউনিটকে। পুরো ইউনিটের সবাই মিলে আজ আমরা গায়ে জড়িয়েছিলাম বৈশাখী পোশাক।

‘এই ইউনিটের সঙ্গে বিগত দুই সপ্তাহ ধরে কাজ করছি ‘ফেরেশতে’ নামের চলচ্চিত্রে। ব্যস্ততার কারণে এত দিন কিছুই জানাতে পারিনি। তবে আশা রাখি, সবকিছু গুছিয়ে খুব শিগগিরই আমরা এই চলচ্চিত্রের বিস্তারিত সব তথ্য নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হব।’

সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে জয়া লিখেছেন, স্বপ্ন পূরণের বছর হোক ১৪২৯।

পরে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জয়া জানান, অনেক দিন পর রিকশায় উঠলাম। এ সময় স্মৃতিকাতর হয়ে পড়েন এ অভিনেত্রী। তিনি বলেন, স্টুডেন্ট থাকা অবস্থায় এ সব পথ দিয়েই যেতাম। সেই জারুলগাছ, টিএসসির মোড়…।

ছোটবেলা থেকেই পহেলা বৈশাখের উৎসবে অংশ নেন জয়া। তবে এবারের বৈশাখ তাকে অন্যরকম আনন্দ দিয়েছে বলে জানালেন তিনি। তারকাখ্যাতির কারণে এখন যা পারেন না, এবার চলচ্চিত্রের চরিত্র হয়ে পুরনো জায়গায় গিয়ে নববর্ষকে আমজনতার সঙ্গে মিশে বরণ করেছেন তিনি। এবারের বৈশাখী উৎসবে কেউ তাকে চিনতে পারেনি।

এ ব্যাপারে জয়া আহসান বলেন, চরিত্রের প্রয়োজনে আমার গায়ের রং ডার্ক করা হয়েছে। কাপড়চোপড়ও ছিল অতি সাধারণ। কোলে একটা শিশু। মানুষজন আমাকে চিনতে পারেনি, বুঝতেও পারেনি। এই মজাটা খুব উপভোগ করেছি।

এদিন ফেরেশতে চলচ্চিত্রের শুটিংয়ে জয়া ছাড়াও অংশ নিয়েছিলেন নিকিতা নন্দিনী শিমু ও একজন শিশু শিল্পী। এ মাসের শেষে ছবিটির শুটিং শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

এম এস, ১৭ এপ্রিল

Back to top button