ক্রিকেট

জয়ের সেঞ্চুরি রাঙানো দিন শেষে স্বাগতিকদের লিড ৭৫

ডারবান, ০২ এপ্রিল – বৃষ্টির পর আলোক স্বল্পতার কারণে আগেই শেষ হয়েছে তৃতীয় দিনের খেলা। দক্ষিণ আফ্রিকার লিড ৭৫ রান। ৬৯ রানে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করে দক্ষিণ আফ্রিকা। কোনো উইকেট না হারিয়ে তাদের সংগ্রহ ৬ রান।

৯৮ রানে তৃতীয় দিন শুরু করে বাংলাদেশ অলআউট হয় ২৯৮ রানে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে এবং তাদের মাটিতে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে সেঞ্চুরি করেন মাহমুদুল হাসান জয়। ৩২৬ বলে ১৩৭ রানের ইনিংস খেলে শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে তিনি আউট হন। এ ছাড়া ৪১ রান করেন লিটন। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে একাই ৫ উইকেট নেন সিমন হার্মার। প্রথম ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকা করেছে ৩৬৭ রান।

দক্ষিণ আফ্রিকা: প্রথম ইনিংস- ৩৬৭/১০ (১২১ ওভার)

বাংলাদেশ: প্রথম ইনিংস- ২৯৮/১০ (১১৫.৫ ওভার)

দক্ষিণ আফ্রিকা: দ্বিতীয় ইনিংস- ৬/০ ( ৪ ওভার)

বৃষ্টির পর আলোক স্বল্পতায় বন্ধ খেলা, স্বাগতিকদের লিড ৭৫

বৃষ্টি থেমেছে তবে এখন আলোক স্বল্পতায় তৃতীয় দিনের তৃতীয় সেশনের খেলা বন্ধ রয়েছে। ৬৯ রানে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে খেলতে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকা আরও ৬ রান যোগ করে। বাংলাদেশের সামনে লিড ৭৫ রান।

জয়ের আউটে ২৯৮ রানে থামল বাংলাদেশ

মাহমুদুল হাসান জয়ের আউটে ২৯৮ রানে থামলো বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংস শেষে মুমিনুল হকের দল পিছিয়ে আছে ৬৯ রানে। ৯৮ রানে দিন শুরু করে জয়ের অনবদ্য সেঞ্চুরিতে ভর করে বাংলাদেশ আরও ২০০ রান যোগ করে আজ। ওপেনিংয়ে নেমে এই তরুণ ব্যাটসম্যান আউট হন শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে। ৩২৬ বলে ১৩৭ রান করে আউট হন হার্মারের বলে। হার্মার নিয়েছেন ৫ উইকেট। এ ছাড়া লিটন দাস ৪১, নাজমুল হোসেন শান্ত ৩৮, মেহেদি হাসান মিরাজ ২৯ ও ইয়াসির আলী করেন ২২ রান।

ফিরলেন খালেদ, একাই লড়ছেন জয়

অলিভিয়ের করা ১১৫তম ওভারের শেষ বল। লাফিয়ে ওঠা বাউন্স খালেদের গ্লাভস ছুঁয়ে যায় উইকেটের পেছনে। প্রথমে আউট দেননি আম্পায়ার, পরে দক্ষিণ আফ্রিকা রিভিউ নিলে সিদ্ধান্ত বদল করেন আম্পায়ার। ৭ বল খেলে রানের খাতা খুলতে পারেননি খালেদ আহমেদ। একাই লড়েছেন মাহমুদুল হাসান জয়। তার সঙ্গী এবার ইবাদত হোসেন।

জুটির ফিফটির পর আউট মিরাজ

মাহমুদুল হাসান জয়কে দারুণ সঙ্গ দিচ্ছিলেন। দ্বিতীয় সেশন কাটানোর পর তৃতীয় সেশনেও সাবলীলভাবে খেলে যাচ্ছিলেন। জুটির হাফ সেঞ্চুরির পর অবশ্য বিদায় নিতে হয় মিরাজকে। মাল্ডারের বলে স্লিপে ক্যাচ দেন হার্মারের হাতে। ৮১ বলে ২৯ রান করেন মিরাজ। ভেঙে যায় ১৪৪ বলে ৫১ রানের জুটি। ক্রিজে জয়ের সঙ্গী খালেদ।

জয়ের সেঞ্চুরি রাঙানো সেশনে আক্ষেপ লিটন-ইয়াসির

দিনের শুরুতে তাসকিন ফেরার পর জয়-লিটন কী সুন্দরই না খেলছিলেন। কিন্তু লাঞ্চের পর প্রথম ওভারেই ফেরেন লিটন। শুরু হয় জয়-ইয়াসিরের গল্প। ভুল বোঝাবুঝিতে সেটিও শেষ হয়ে যায় দ্রুত। ফেরেন ইয়াসির। এবার মিরাজকে নিয়ে এগোতে থাকেন জয়। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে এবং তাদের মাটিতে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে শতক হাঁকিয়ে রেকর্ড গড়েন। মিরাজকে নিয়ে দ্বিতীয় সেশন শেষ করে আসেন কোনো বিপদ ছাড়াই। বাংলাদেশের সংগ্রহ ৭ উইকেট হারিয়ে ২৫৭ রান। দ্বিতীয় সেশনে বাংলাদেশ ২ উইকেট হারিয়ে ৭৪ রান করে। ১০৬ রানে জয় ২৪ রানে মিরাজ ক্রিজে আছেন। বাংলাদেশের আশা-ভরসা এখন এই জুটিকে ঘিরে। দুজনের জুটি থেকে এখন পর্যন্ত আসে ১১৪ বলে ৪১ রান।

প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে দ. আফ্রিকায় জয়ের সেঞ্চুরি

গতকাল শেষ বিকেলে তার সামনেই বাংলাদেশের ব্যাটিং ভেঙে চুরমার। কিন্তু মাহমুদুলু হাসান জয় ছিলেন অবিচল। এক প্রান্তে আগলে রেখেছেন সামলে। ৪৪ রানে দিন শুরু করে লিটনের সঙ্গে জুটি গড়ে তুলে নেন হাফ সেঞ্চুরি। লিটন ফেরেন, ইয়াসির ফেরেন কিন্ত জয় থেকে যান। লিটন-ইয়াসির ফেরার পর মিরাজের সঙ্গে জুটি গড়ে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় এই ফিফটিকে জয় রূপ দেন সেঞ্চুরিতে। ২৬৯ বলে ১০ চার ও ১ ছয়ে ক্যারিয়ারের চতুর্থ টেস্টে জয় পান প্রথম সেঞ্চুরির দেখা। প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে শতক হাঁকান এই তরুণ। এর আগে প্রোটিয়াদের মাটিতে সর্বোচ্চ ছিল মুমিনুল হকের ৭৭ রান। শুধু তাই নয় দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে ১৩তম টেস্ট খেলতে নামা বাংলাদেশের কোনো ব্যাটসম্যানের এটি প্রথম শতক।

জয়ের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউট ইয়াসির

জয়ের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউট ইয়াসির। ৮৯তম ওভারে অলিভিয়ের করা প্রথম বল। মিড উইকেটে খেলে রান নিয়ে দৌড় দিলেন জয়। সহজেই প্রান্ত বদল করলেন ইয়াসির। বিপত্তি বাধে দুই রান নিতে গিয়ে। নন-স্ট্রাইক প্রান্তে থাকা জয় একটু সামনে এগিয়ে আর আসেননি। ততক্ষণে ইয়াসির পার হয়ে গেছেন পিচের অর্ধেক। রিকেলটন বল কুড়িয়ে মারলেন উইকেটরক্ষকের হাতে। ইয়াসির আর চেষ্টাও করতে পারেননি। ৩৭ বলে ২২ রান করে ফেরেন তিনি। দুজনের জুটি ভাঙে ৩৩ রানে। জয়ের সঙ্গে নতুন ব্যাটসম্যান মেহেদি হাসান মিরাজ।

জয়-ইয়াসিরের ব্যাটে প্রতিরোধ, বাংলাদেশের ২০০

লিটন দাস ফেরার পর ইয়াসির আলী রাব্বিকে নিয়ে প্রতিরোধ গড়েন মাহমুদুল হাসান জয়। দুজনের জুটি থেকে এখন পর্যন্ত আসে ৪০ বলে ১৯ রান। বাংলাদেশ ২০০ রানের ঘর পার করে ৮৪.২ ওভারে।

লাঞ্চের পর এসেই আউট লিটন

লাঞ্চের পর এসেই দ্বিতীয় বলে সাজঘরে ফিরলেন লিটন দাস। দুবার জীবন পেয়েছিলেন লিটন, কিন্তু কাজে লাগাতে পারেননি। জয়ের সঙ্গে তার জুটিতে স্বপ্ন দেখছিল বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত লিজাড উইলিয়ামসের করা দ্বিতীয় সেশনের প্রথম ওভারে ফিরতে হয় তাকে। উইলিয়ামসের লেন্থ বল ব্যাট থেকে সরাসরি গিয়ে আঘাত হানে উইকেটে। ৯৩ বলে ৬ চারে ৪১ রান করেন লিটন। ভেঙে যায় ১৭১ বলে গড়া ৮২ রানের জুটি।

প্রথম সেশনে লড়লেন জয়-লিটন

চার উইকেট হারিয়ে ৯৮ রান তোলা বাংলাদেশ আজ শনিবার তৃতীয় দিনের প্রথম সেশনটি পার করেছে। আগের দিনের অপরাজিত ব্যাটসম্যান তাসকিন আহমেদ আজ ১০১ রানের মাথায় আউট হন। এরপর মাহমুদুল হাসান জয় ও লিটন দাস মিলে প্রথম সেশনের বাকি সময় পার করেন। ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে তারা ৮২ রান তুলে মধ্যাহ্ন বিরতিতে গেছেন। জয় ৮০ ও লিটন ৪১ রানে অপরাজিত আছেন। বাংলাদেশের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ১৮৩। নিউ জিল্যান্ডের প্রথম ইনিংসের চেয়ে বাংলাদেশ পিছিয়ে ১৮৪ রানে।

দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে জয়ের সর্বোচ্চ রান

দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে সর্বোচ্চ রানের ইনিংস খেললেন মাহমুদুল হাসান জয়। ডারবান টেস্টে এখন পর্যন্ত ২৩০ বলে ৮০ রানের ইনিংস খেলে অপরাজিত আছেন। হাফ সেঞ্চুরি করেছেন ১৭০ বলে। এর আগে সর্বোচ্চ ৭৭ রানের ইনিংস ছিল মুমিনুল হকের। জয়ের এর আগে সর্বোচ্চ ছিল ৭৮ রান।

রিভিউতে লিটনের রক্ষা
হার্মারের বলে লিটনের ব্যাটের খুব কাছ দিয়ে যায় উইকেটের পেছনে। জোরালো আবেদনে সাড়া দেন আম্পায়ার। সঙ্গে সঙ্গে রিভিউ নেন লিটন। রিপ্লেতে দেখা যায় বল ব্যাটে লাগেনি। ১৬ রানে জীবন পাওয়া লিটন আবারও বেঁচে যান। এর আগে হার্মারের বলে মাহমুদুল হাসান জয়ের বিপক্ষে রিভিউ নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। সেটিও ব্যর্থ হয়।

জয়-লিটনের ব্যাটে প্রতিরোধ, জুটির ফিফটি
দিনের শুরুতে নাইটওয়াচম্যান তাসকিন আহমেদ ফেরার পর ক্রিজে আসেন লিটন দাস। চার মেরে রানের খাতা খোলার পর খেলছেন দারুণভাবে। আগে থেকেই ক্রিজে থাকা মাহমুদুল হাসান জয় খেলছেন পুরো টেস্ট মেজাজে। ইতিমধ্যে তুলে নিয়েছেন ফিফটি। দুজনের ৬ষ্ঠ উইকেটের জুটি ছাড়িয়ে যায় পঞ্চাশ রান। তার আগেই দুজনের ব্যাটে ভর করে বাংলাদেশ পূর্ণ করে দেড়শ রান।

বিদেশের মাটিতে জয়ের টানা দ্বিতীয় ফিফটি

ক্যারিয়ারের তৃতীয় টেস্টে নিউ জিল্যান্ডের মাটিতে প্রথম হাফ সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছিলেন মাহমুদুল হাসান জয়। সেই ম্যাচে বাংলাদেশ জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে। এবার দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে খেলতে নেমে তুলে নিলেন টানা দ্বিতীয় ফিফটি। দলের সতীর্থরা যখন আসা যাওয়ার মিছিলে তখন ঢাল হয়ে দাঁড়ান এই তরুণ তুর্কি। হার্মারকে সোজা ব্যাট চালিয়ে চার মেরে ১৭০ বলে দেখা পান হাফ সেঞ্চুরির। ৫টি চারে সাজানো ছিল তার ফিফটির ইনিংসটি।

দারুণ শুরুর পর জীবন পেলেন লিটন

অলিভিয়েরকে দারুণ পুল শটে চার হাঁকিয়ে রানের খাতা খোলেন লিটন দাস। এক বল ডট দিয়ে কাট করে পয়েন্টে আবার চার। দুর্দান্ত শুরু করা লিটন জীবনও পেয়েছেন ব্যক্তিগত ১৬ রানে। উইলিয়ামসের আউট সাইড অফের লেন্থ বল ব্যাটের কানায় লেগে চলে যায় প্রথম স্লিপে। ওখানে থাকা ফিল্ডার ডিন এলগার ধরতে পারেননি ক্যাচ, হতভম্ব হয়ে যান উইলিয়ামস। এই সুযোগ কাজে লাগাতে পারবেন লিটন?

দিনের শুরুতেই আউট নাইটওয়াচম্যান তাসকিন

১০০ থেকে ২ রান পিছিয়ে থেকে তৃতীয় দিন শুরু করে বাংলাদেশ। লিজাড উইলিয়ামসের করা ৪৯.৪ ওভারে বাংলাদেশ ১০০ রান পূর্ণ করে। তাও বিশাল নো বল থেকে। এর ১ ওভার পরেই এই উইলিয়ামসের বলে সাজঘরে ফেরেন নাইটওয়াচম্যান তাসকিন আহমেদ। ১ রান আসে তার ব্যাট থেকে। গতকাল শেষ বিকেলে মুশফিকুর রহিমের উইকেট হারালে তাসকিনকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় বাংলাদেশ। ৬ বল খেলে মাহমুদুল হাসান জয়ের সঙ্গে তিনি দিন শেষ করে আসেন কোনো বিপদ ছাড়াই। আজ অবশ্য বেশিদূর যেতে পারলেন না। ক্রিজে এখন জয়ের সঙ্গী লিটন দাস।

ডারবান টেস্টের তৃতীয় দিন শুরু, টিকে থাকাই বাংলাদেশের লক্ষ্য

ডারবান টেস্টের তৃতীয় দিনে শনিবার (২ এপ্রিল) মুখোমুখি হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা-বাংলাদেশ। ৯৮ রানে ৪ উইকেট নিয়ে দিন শুরু করেছে বাংলাদেশ। হাতে আছে ৬ উইকেট। বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে এখনো পিছিয়ে আছে ২৬৯ রানে। শেষ বিকেলে সিমন হার্মারের ঘূর্ণিতে এলোমেলো বাংলাদেশের ভরসা হয়ে আছেন মাহমুদুল হাসান জয়। ৪৪ রানে তিনি দিন শুরু করেন। তার সঙ্গে আছেন নাইটওয়াচম্যান হিসেবে নামা তাসকিন আহমেদ। বাংলাদেশের সামনে এখন লক্ষ্য একটাই, ক্রিজে টিকে থাকা।

মিরাজ বলছেন এখনো ফল অনুমান করা সম্ভব না

দ্বিতীয় দিন শেষ মেহেদি হাসান মিরাজ বলেন, ‘টেস্ট ক্রিকেটে সবসময় সুযোগ থাকে। ওরা ভালো ব্যাটিং করেছে। আমরাও ভালো জায়গায় বল করেছি। সবসময় সুযোগ থাকে টেস্ট ক্রিকেটে। যে কেউ-ই ভালো রান করতে পারে। নয় নম্বরে ব্যাটসম্যানেরও অনেক রান করার রেকর্ড আছে। ৫০ মেরেছে। ১০০ রানের জুটি গড়েছে। তারপরও আমাদের বোলাররাও ভালো করেছে।’

‘এখনো অনেক বাকি আছে। এখনোই ফল অনুমান করা সম্ভব না। টেস্টে এমন হয়ই। যারা বেশি ভালো খেলবে তারাই জিতবে। এখনো আমাদের অনেক সুযোগ আছে। জয় আছে, লিটন আছে, রাব্বি আছে, আমি আছি। যত দূরে যেতে পারি, চেষ্টা করব। যত দূরে যাব ততো ভালো হবে। ওদের জন্যও দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং করা কঠিন হবে। প্রথম ইনিংসে যতো দূরে যেতে পারি, সেটাই ভালো হবে’-আরও যোগ করেন।

দ্বিতীয় দিন শেষে এলোমেলো বাংলাদেশ

দ্বিতীয় দিন শেষ বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেট হারিয়ে ৯৮ রান। বাংলাদেশ এখনো পিছিয়ে আছে ২৬৯ রানে।

এক হার্মার একাই নিয়েছেন সবকটি উইকেট। দ্বিতীয় দিন শেষে এলোমেলো বাংলাদেশ। ব্যাট হাতে ভুগিয়েছিলেন হার্মার। বল হাতে একাই ধস নামিয়ে দিলেন। সাদমান ইসলামকে দিয়ে শুরু মুশফিকুর রহিমকে দিয়ে শেষ। এক প্রান্ত আগলে রেখেছেন মাহমুদুল হাসান জয়। তিনি ৪৪ রানে অপরাজিত আছেন। তার সঙ্গে তাসকিন আছেন ০ রানে।

শুরুতে সাদমান ফেরার পর জয়-শান্ত হাল ধরেন। দুজনের পঞ্চাশোর্ধ জুটি গড়ে প্রতিরোধের আভাস দেন। ৩৮তম ওভারের প্রথম বলে শান্ত আউট হতেই যেনো ধস নামে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে। তার ব্যাট থেকে আসে ৩৮ রান। মুমিনুল হক এসে রানআউট থেকে রক্ষা পেলেও শূন্য রানে ফিরতে হয় পিটারসেনের দুর্দান্ত ক্যাচে। মুশফিকুর রহিমও রিভিউ নিয়ে রক্ষা পেয়েছিলেন, কিন্তু কাজে লাগে পারেননি। দক্ষিণ আফ্রিকার নেওয়া রিভিউতেই সেই আউট হতে হয়। সবগুলো উইকেটের ঘাতক একজনই। সিমন হার্মার। ২০ ওভারে মাত্র ৪২ রান দিয়ে নেন ৪ উইকেট।

সূত্র : রাইজিংবিডি
এম এস, ০২ এপ্রিল

Back to top button