জাতীয়

গণমাধ্যম কর্মী আইনের সমালোচনায় মির্জা ফখরুল

ঢাকা, ৩০ মার্চ – চলতি অধিবেশনে জাতীয় সংসদে উত্থাপিত গণমাধ্যম কর্মী আইনের সমালোচনা করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে রুহুল আমিন গাজী মুক্তি পরিষদের উদ্যোগ ‘সদ্য কারামুক্ত সাংবাদিক বিএফইউজের (একাংশ) সাবেক সভাপতি রুহুল আমিন গাজীর নাগরিক সংবর্ধনায়’এক অনুষ্ঠানে এ সমালোচনা করেন তিনি।

তিনি বলেন, গণমাধ্যম কর্মী আইন, আইনটা কারা করবে? আইনটা করছে সংসদের সদস্যরা যারা নির্বাচিত হয়নি। যারা বিনা ভোটে নির্বাচিত হয়ে ক্ষমতা দখল করে বসে আছে, তারা আইন তৈরি করবে গণমাধ্যমের জন্য। সেটার কি অবস্থা দাঁড়াবে আমরা জানি। আর এখানে কথা বলার কোনো স্বাধীনতা তো নেই ই, কথা বললে শিরচ্ছেদও হতে পারে, এরকম একটা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে যাচ্ছে।’

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে নিয়ে ডিএমপি কমিশনারের বক্তব্যের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, বাংলাদেশে এত খারাপ অবস্থা কখনও দেখিনি। এখানে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, শালীনতা বোধ এবং একজন আরেকজন সম্পর্কে যে সৌজন্যমূলক কথা বলবে, সেটা নেই। এরকম একটা অবস্থা হয়েছে। হবে না কেন? যারা চাকর, তারা যদি মালিক বণে যায়, তখন তো সেরকম অবস্থাই দাঁড়াবে। এমন এমন কথা এমন এমন লোকজন বলছে, যারা কিন্তু জনগণের টাকায় চলাফেরা করছে। তাদের বেতন হয় জনগণের টাকায়, তারা মালিক হয়ে বসে আছে।’

স্বাধীনতা কনসার্টের সমালোচনা করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আজকে দেশে এমন একটা অবস্থা তৈরি হয়েছে। তারা ইসিবির ট্রাকের পেছনে লাইন দিচ্ছেন। কারণ নিত্যপন্যের দাম এতো বৃদ্ধি পাচ্ছে যে- চাল, ডাল কেনার টাকা তাদের কাছে নেই। সেই সময় আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রী ভারত থেকে শিল্পী এনে কনসার্টে নিজে গিয়ে গান শুনছেন। যেখানে কোটি কোটি টাকা খরচ হয়েছে। আমাদের দেশের সরকারি কর্মকর্তারা টরেন্টো ফ্লাইটে করে বাইরে যাচ্ছে। সেখানে কোটি কোটি টাকা খরচ হচ্ছে।

নয়া দিগন্তের সম্পাদক আলমগীর মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে ও ডিইউজের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলামের সঞ্চলনায় অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর আনোয়ারুল্লাহ, জামায়াত নেতা মতিউর রহমান আকন্দ, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি কামাল উদ্দিন সবুজ, ডিউজের সভাপতি কাদের গনি চৌধুরী, কবি আব্দুল হাই শিকদার প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

সূত্র : বাংলাদেশ জার্নাল
এন এইচ, ৩০ মার্চ

Back to top button