নিজ দলের ওপর খেপেছেন ট্রাম্পের দুই পুত্র

ওয়াশিংটন, ৬ নভেম্বর- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোটের ফল নিয়ে চলমান অনিশ্চয়তার সময় বাবার প্রতি রিপাবলিকানরা দৃঢ় সমর্থন দেখাতে ব্যর্থ হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ডনাল্ড ট্রাম্পের দুই ছেলে।
মঙ্গলবার নির্বাচনের পর দুই দিন পেরিয়ে গেলেও যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট কে হচ্ছেন তা এখনও নির্ধারিত হয়নি। যদিও দোদুল্যমান রাজ্যগুলোর গণনাকৃত ভোটের ধারা অনুযায়ী ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেনই হোয়াইট হাউসের পরবর্তী বাসিন্দা হওয়ার পথে রয়েছেন বলে মনে হচ্ছে।
ট্রাম্প অবশ্য এর মধ্যেই ভোটে কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন। প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্টে যাবেন বলেও হুমকি দিয়ে রেখেছেন তিনি।
তার এ অবস্থান নিয়ে রিপাবলিকান পার্টির ভেতরেই অসন্তোষ আছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বিবিসি।
জ্যেষ্ঠ রিপাবলিকানদের মধ্যে ইউটাহ’র সিনেটর মিট রমনি এবং মেরিল্যান্ডের গভর্নর ল্যারি হোগান প্রকাশ্যেই ট্রাম্পের সমালোচনা করেছেন। রিপাবলিকান প্রার্থী গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে বলেও মন্তব্য করেছেন তারা।
রিপাবলিকান নেতাদের একটি বড় অংশ এখনও চুপ থাকায় ট্রাম্প সমর্থকদের মধ্যে ক্ষোভও বাড়ছে।
টুইটারে মাইক চেরনোভিচ নামে এক ট্রাম্প সমর্থক জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত নিকি হ্যালির নীরবতার সমালোচনা করেন। তার পোস্টের প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্পের ছেলে ডনাল্ড জুনিয়র ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির মনোনয়নের দিকে চোখ থাকা নেতাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন।
“রিপাবলিকান পার্টি থেকে ২০২৪ সালে প্রার্থী হতে পারেন এমন ব্যক্তিদের মধ্যে কার্যত সবারই কোনো ধরনের ভূমিকা না দেখাটা খু্বই চমৎকার।
“তাদের আকাঙক্ষা এবং তারা যে লড়তে সক্ষম তা দেখানোর জন্য একটি উপযুক্ত প্ল্যাটফর্ম থাকা সত্ত্বেও তারা গণমাধ্যমের গুন্ডামির ভয়ে জড়সড় হয়ে থাকবে। চিন্তার কিছু নেই, ডনাল্ড ট্রাম্প লড়বেন এবং তারা অন্য সব বারের মতোই তা দেখতে থাকবেন। রিপাবলিকানরা দশকের পর দশক ধরে দুর্বল ছিল, যা বামদের এসব করার সুযোগ করে দিয়েছে,” বলেছেন ডনাল্ড জুনিয়র।
তার ভাই এরিকও টুইটারে রিপাবলিকানদের ‘দুর্বল সমর্থন’কে কটাক্ষ করেন।
“কোথায় রিপাবলিকানরা! কিছুটা তো মেরুদণ্ড থাকা উচিত। এই জালিয়াতির বিরুদ্ধে লড়ো। এই সময়ে ভেড়া হয়ে থাকলে আমাদের ভোটাররা আপনাদের কখনোই ভুলবে না,” বলেছেন তিনি।
সূত্র : বিডিনিউজ
আর/০৮:১৪/৬ নভেম্বর









