বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

শেয়ারইটের নতুন মাইলফলক

ডিজিটাল কনটেন্ট শেয়ারিং ও স্ট্রিমিং অ্যাপ শেয়ারইট বৈশ্বিকভাবে ভলিউম এবং নন-গেমিং ক্যাটাগরির পাওয়ার র‌্যাংকিংয়ে মিডিয়া সোর্স হিসেবে চার নম্বর স্থান অর্জন করেছে।

এছাড়া, ইন-অ্যাপ পার্চেজ (আইএপি) সূচকের সকল ক্যাটাগরিতে র‌্যাংকিংয়ে সাত নম্বরে পৌঁছেছে ও বৈশ্বিক রিটেনশন সূচকের সকল ক্যাটাগরিতে আট নম্বর স্থান অর্জন করেছে।

বৈশ্বিক রিটেনশন ও ইন-অ্যাপ পার্চেজ এর গেমিং ক্যাটাগরিতে শেয়ারইট র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষস্থান অর্জন করেছে, যার মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ার ক্যাজুয়াল ও মিডকোর গেমিং এর মতো ক্যাটাগরিতেও শক্ত অবস্থান গড়ে নিয়েছে অ্যাপটি।

মোবাইল অ্যাডভার্টাইজিংয়ের টপ মিডিয়া সোর্স অ্যাপসফ্লায়ার এই র‌্যাংকিং প্রকাশ করেছে। লাতিন আমেরিকা ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার বাজারে আর্থিক বিনিয়োগের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে শেয়ারইট প্রথমবারের মতো গত বছরের প্রথম অর্ধের তুলনায় (ফাইন্যান্স-ইনভেস্টমেন্ট ভলিউম ক্যাটাগরির অধীনে) রিটেনশন সূচকে শীর্ষ তিনে পৌঁছেছে এবং আইএপি সূচকে শীর্ষ পাঁচ নম্বর স্থান অর্জন করেছে।

এ নিয়ে শেয়ারইট গ্রুপের পার্টনার ও গ্লোবাল ভাইস প্রেসিডেন্ট কারাম মালহোত্রা বলেন, ‘বিশ্বজুড়ে উদীয়মান বাজারে মোবাইল গেমিং ও ডিজিটাল পেমেন্ট বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে; এ বিষয়টিকে সামনে এগিয়ে নিতে আমরা সচেষ্ট রয়েছি। ২০২১ সালে ব্যবহারকারীদের গেমিং অ্যাপ ব্যবহার ১৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বিশ্বজুড়ে ১১৬ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। লাতিন আমেরিকা, আফ্রিকা ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার মতো অঞ্চলে স্মার্টফোন বিশ্বের ফিনটেক এর বিষয়কে ত্বরাণ্বিত করছে। নিওব্যাংক, কনজ্যুমার লেনডিং ফার্ম, পেমেন্টস ও ক্রিপ্টোকারেন্সির মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর আবির্ভাব এ বিষয়টিকে সম্ভব করেছে। এ বিপুল সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে আমরা গেমিং অ্যাপ ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করছি, যা উদীয়মান বাজারে ব্যবহারকারীদের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে সাহায্য করবে।’

শেয়ারইটের মূল ফিচার হলো পিয়ার-টু-পিয়ার ফাইল ট্রান্সফার, যা ব্যবহারকারীদের ফাইল, ছবি, মিউজিক সহ অন্যান্য কনটেন্ট ইন্টারনেট কিংবা ব্লুটুথ সংযোগ ব্যবহার ছাড়াই ট্রান্সফারের সুবিধা দেয়। অ্যাপটির অন্যান্য ফিচারের মধ্যে রয়েছে ফোন ক্লিনার, ফোন বুস্টার, ব্যাটারি সেভার, ফাইল ম্যানেজার ও গেম রিসোর্স ফাইল ট্রান্সফার। এছাড়া শেয়ারইট সম্প্রতি বৈশ্বিকভাবে পেমেন্ট সল্যুশন পেয়ারম্যাক্স সেবাও চালু করেছে।

এন এইচ, ৩০ মার্চ

Back to top button