জাতীয়

২০২২ ও ২৩ সাল আওয়ামী লীগের জন্য আরেকটি মুক্তিযুদ্ধ: নানক

ঢাকা, ২৯ মার্চ – ২০২২ এবং ২০২৩ সাল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের জন্য আরেকটি মুক্তিযুদ্ধ বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমাদের আরেকটি অর্থনৈতিক মুক্তির-মুক্তিযুদ্ধ করতে হবে। সে অর্থনৈতিক মুক্তির-মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করতে গেলে আগামী নির্বাচনে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমাদের ভোটে জয়লাভ করে হবে। মনে রাখতে হবে এদেশে শেখ হাসিনা কোন বিকল্প নেই।

মঙ্গলবার (২৯ মার্চ) বিকেলে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের ৫২ নং ওয়ার্ডের অন্তর্গত ইউনিট আওয়ামী লীগের সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপিকে মিথ্যাবাদী আখ্যা দিয়ে নানক বলেন, ওরা মিথ্যাবাদী। ওদেরকে চিনতে হবে। তাদের জন্মই হয়েছে মিথ্যার উপর দাঁড়িয়ে। সরকারের এতো উন্নয়ন তাদের চোখে পড়ে না। তারা শুধু মিথ্যাচারই জানে। আমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পথ চলছি। নেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করতে তাকে ১৯ বার হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু আল্লাহর রহমতে তিনি রক্ষা পেয়েছেন।

বিএনপির নেতা মির্জা ফখরুলের বক্তব্যের সমালোচনা করে আওয়ামী লীগের এই সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বলেন, জ্ঞানপাপী হয়ে কি লাভ? গ্রামে গিয়ে আমার মা-বোনের কাছে জিজ্ঞেস করেন। যে মা-বোনেরা তার গোপনীয় রোগের কথা স্বামীর কাছে বলতে পারত না, তারা এখন শেখ হাসিনার দেওয়া স্থানীয় কমিউনিটি ক্লিনিকে গিয়ে চিকিৎসা নিতে পারছে। অথচ বিএনপির তৎকালীন আমলে সেই কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো ছাত্রদল, যুবদল, বিএনপির গুণ্ডারা মদ আর নেশার আড্ডা খানা বানিয়েছিল।

আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন তুলে ধরে সাবেক এ প্রতিমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের মানুষ অন্ন-বস্ত্র চিকিৎসা হচ্ছে। গ্রামেগঞ্জে কোথাও এখন আর কুঁড়েঘর দেখা যায় না। গ্রামেগঞ্জে কোথাও একটি মানুষ পাওয়া না যার পায়ে জুতা নেই। পরনে ছেঁড়া কাপড় রয়েছে এমন একটি মানুষ পাওয়া যায় না। আমার গ্রাম আমার শহর এর প্রকল্পের মাধ্যমে গ্রামের চেহারা পরিবর্তন করে দিয়েছে শেখ হাসিনা। তারপরেও ধন্যবাদ দিবেন না? লজ্জা করেনা আপনাদের?
সাবেক এই প্রতিমন্ত্রী বলেন, একসময় বিদেশি গরু ছাড়া কুরবানির হতো না। আমি এই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সে সময় প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছি। সেসময় নেত্রী আমাকে বলেছিলেন, নানক গ্রামের প্রতিটি ঘরে ঘরে গরুর খামার তৈরি করে দাও। এতে করে গ্রামের প্রতিটি মানুষের রুটি-রুজির ব্যবস্থা হবে। বিদেশ থেকে গরু আনতে হবে না। এখন আর ভারতের গরু কুরবানি ঈদের আমাদের লাগেনা।

সূত্র : ইত্তেফাক
এম এস, ২৯ মার্চ

Back to top button