ইউরোপ

বিকল্প তেল-গ্যাসের সন্ধানে নেমেছে ফ্রান্স

প্য়ারিস, ২৮ মার্চ – রাশিয়ার ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ইউরোপে জ্বালানি সরবরাহের ক্ষেত্রে বৈচিত্র্য আনার জন্য জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ফ্রান্স। বলতে গেলে বিকল্প তেল-গ্যাস সরবরাহকারীর সন্ধানে নেমেছে দেশটি। এর মধ্যে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে এ বিষয়ে কথাও বলা হয়ে গেছে।

রোববার ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জিন-ইভেস লে ড্রিয়ান দেশ দুটিতে তার সমকক্ষ নেতাদের সঙ্গে কথা বলেন। ফ্রান্সের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। খবর আনাদোলুর।

লে ড্রিয়ান সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফারহান আল সৌদ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল্লাহ বিন জায়েদ আল-নাহিয়ানের সঙ্গে কথা বলেছেন। এ সময় ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইউরোপের দেশগুলোতে তেল ও গ্যাস সরবরাহের ক্ষেত্রে বৈচিত্র্য আনার জন্য দেশ দুটির সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

লে ড্রিয়ান বলেন, ‘ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সব ফোরাম এবং সব পরিস্থিতিতে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সংহতি প্রয়োজন। যা ইউরোপের নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি হয়ে এসেছে।’

আগামী সপ্তাহে ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাতার সফর করবেন বলে জানা গেছে। সেখানেও ইউরোপের জ্বালানি সরবরাহের ক্ষেত্রে বৈচিত্র্য আনার চেষ্টার বিষয়টি আলোচিত হবে। তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস রপ্তানিকারক বিশ্বের শীর্ষ তিন দেশের একটি কাতার।

এদিকে রাশিয়ার গ্যাসের ওপর নির্ভরতা কমাতে সরবরাহকারীর খোঁজ নেওয়ার পাশাপাশি ভিন্ন পরিকল্পনা নিতে যাচ্ছে ফ্রান্স। সে জন্য প্যারিস ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের পরিকল্পনা করছে বলে জানিয়েছে দেশটির একটি সংবাদমাধ্যম।

রাশিয়া ইউরোপের দেশগুলোতে অপরিশোধিত তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস এবং কঠিন জ্বীবাশ্ম জ্বালানি সরবরাহকারী শীর্ষ দেশ। আন্তর্জাতিক চাপ ও নিষেধাজ্ঞার মধ্যে ফ্রান্সের তেল ও গ্যাস কোম্পানি টোটালএনার্জি রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধের ঘোষণা দেয় এবং সৌদি আরব থেকে পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানির কথা জানায়।

ইউক্রেনে আগ্রাসনের পর মস্কোর ওপর নিষেধাজ্ঞার কারণে ইউরোপে জ্বালানি সরবরাহের স্থিতিশীলতা হুমকির মুখে পড়েছে।

সূত্র: সমকাল
এম ইউ/২৮ মার্চ ২০২২

Back to top button