ঢাকা

রিকশা যেতে না চাইলে জরিমানা, লাগবে লাইসেন্স

মাসুদ রানা

ঢাকা, ২৭ মার্চ – ঢাকা মহানগরে চলাচল করা সব রিকশা আসছে নিবন্ধনের আওতায়। লাইসেন্স নিতে হবে চালককেও। রিকশাচালকের বয়স হতে হবে ১৮ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে। রিকশার রং, কুশন প্রভৃতিতে থাকবে নতুনত্ব। মালিকরা ইচ্ছেমতো জমা আদায় করতে পারবে না। একই সঙ্গে দূরত্ব অনুযায়ী ট্রাফিক অঞ্চলভেদে নির্ধারণ করে দেওয়া হবে ভাড়া।

এসব নিয়ম রেখে ২১ মার্চ ‘ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় অযান্ত্রিক যানবাহন চলাচল (নিয়ন্ত্রণ) প্রবিধান’-এর গেজেট জারি করা হয়েছে। দক্ষিণ সিটিও এমন প্রবিধান করতে যাচ্ছে বলে জানা যায়।

প্রবিধান অনুযায়ী, অঞ্চলভেদে রিকশাচালকদের পোশাকের রং ভিন্ন হবে। অযান্ত্রিক যানবাহন বা রিকশাচালকের কাছ থেকে মালিক দৈনিক সর্বোচ্চ কত টাকা ভাড়া (জমা) আদায় করতে পারবেন, তা করপোরেশন নির্ধারণ করে দিতে পারবে। কোনো রিকশায় দুজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির বেশি বহন করা যাবে না।

এছাড়া অতিরিক্ত ভাড়া দাবি করা বা নির্ধারিত জোনে নির্দিষ্ট দূরত্বে যেতে অস্বীকৃতি জানালে রিকশাচালককে জরিমানা করা যাবে। রিকশাচালকের বয়স ১৮ বছরের কম বা ৫০ বছরের বেশি হতে পারবে না।

এতে আরও বলা হয়েছে, রিকশার ভেতরে বা বাইরে কোনো রকম বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন বা অশ্লীল ছবি/চিত্র সাঁটানো যাবে না।

প্রবিধান অনুযায়ী, অনিয়মের জন্য সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং নিবন্ধন-লাইসেন্স বাতিল ও রিকশা জব্দ করতে পারবে সিটি করপোরেশন।

এ বিষয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত সচিব) মো. সেলিম রেজা বলেন, রিকশা বা অযান্ত্রিক যানবাহন নিয়ে তেমন কোনো বিধিবিধান ছিল না। প্রবিধানটি করা খুব দরকার ছিল, সেটি হয়েছে। আমরা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিয়ে প্রবিধানের গেজেটও করেছি। আমরা এখন এটি ধীরে ধীরে বাস্তবায়নের দিকে যাবো। প্রবিধানের আলোকে আমরা ব্যবস্থা নেবো। আমরা কিছু রিকশার লাইসেন্সও দেওয়া শুরু করছি।

তিনি বলেন, এই প্রবিধানের আওতায় অযান্ত্রিক যানবাহনকে আমরা একটা সিস্টেমের মধ্যে নিয়ে আসবো। রিকশাচালকেরও লাইসেন্স লাগবে। আরও কিছু নতুন বিষয় এসেছে। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে সেগুলো বাস্তবায়ন করা হবে। আশা করছি ভালো কিছু হবে।

প্রবিধান অনুযায়ী, করপোরেশনের অঞ্চল বা ওয়ার্ডভিত্তিক ‘অযান্ত্রিক যানবাহন ব্যবস্থাপনা শীর্ষক কমিটি’ দায়িত্ব পালন করবে। কমিটির আহ্বায়ক হবেন আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা/মেয়রের মনোনীত কর্মকর্তা/ওয়ার্ড কাউন্সিলর। সাত সদস্যের এই কমিটিতে শ্রমিক, রিকশা মালিক ও চালক সংগঠনের প্রতিনিধিরাও থাকবেন।

এ বিষয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত সচিব) ফরিদ আহাম্মদ বলেন, অযান্ত্রিক যানবাহন নিয়ে আমরাও একটি প্রবিধান করছি। একটি খসড়া করা হয়েছে, খসড়াটি চূড়ান্ত করার কাজ চলছে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের অংশে রাস্তাঘাট সরু। প্রচুর ঘোড়ার গাড়ি রয়েছে। উত্তরে রাস্তাঘাট বেশি প্রশস্ত। তাই আমাদের প্রবিধানটি উত্তরের তুলনায় কিছুটা ভিন্ন হবে।

রিকশাচালকের লাইসেন্স ও যোগ্যতা
সিটি করপোরেশন এলাকায় কোনো ব্যক্তি কোনো অযান্ত্রিক যানবাহন চালাতে চাইলে তাকে অবশ্যই লাইসেন্স নিতে হবে। লাইসেন্স প্রথমত এক বছরের জন্য ইস্যু করা হবে এবং মেয়াদ শেষে নির্ধারিত ফি দিয়ে তা নবায়ন করতে হবে।

ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া চালক দিয়ে অযান্ত্রিক যানবাহন বা রিকশা চালাতে দেওয়া যাবে না। যদি কোনো মালিক ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকা চালক দিয়ে রিকশা চালান তবে রেজিস্ট্রেশন বাতিল করা হবে বা সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হবে বা উভয় দণ্ড দেওয়া হবে। ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকলে চালককে সর্বোচ্চ দুই হাজার টাকা জরিমানা করা হবে। একই সঙ্গে জব্দ ও বাজেয়াপ্ত করা হবে করপোরেশনের দেওয়া রিকশার নম্বরটি। একবার জব্দ করা হলে রিকশার লাইসেন্স নম্বরটিও বাতিল হয়ে যাবে বলে প্রবিধানে উল্লেখ করা হয়েছে।

কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ করে না দেওয়া হলেও অযান্ত্রিক যানবাহন বা রিকশাচালকের লাইসেন্স পাওয়ার জন্য আবেদনকারীকে নিবন্ধকের কাছে কয়েকটি বিষয়ে উপযুক্ত বিবেচিত হতে হবে।

চালক শারীরিক ও মানসিকভাবে উপযুক্ত বলে সিটি করপোরেশনের একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকের সনদ বা প্রত্যয়ন লাগবে। আবেদনকারীকে সিটি করপোরেশন ও এর আশপাশের প্রধান প্রধান সড়ক, স্থাপনা, অফিস আদালত, গুরুত্বপূর্ণ স্থান ইত্যাদির বিষয়ে ধারণা থাকতে হবে। আবেদনকারীকে সড়কপথে চলাচল করার সময় যেসব নিয়ম-কানুন, ট্রাফিক সংকেত অন্য চালকরা মেনে চলেন- তা জানতে ও বুঝতে হবে।

রিকশাচালকের লাইসেন্স পেতে আবেদনকারীর বয়স ১৮ বছরের কম এবং ৫০ বছরের বেশি হতে পারবে না।

রিকশাভাড়া নির্ধারণ

সিটি করপোরেশন এলাকায় ট্রাফিক অঞ্চলভিত্তিক ভাড়ার তালিকা নির্ধারিত থাকবে। এই প্রবিধান অনুযায়ী করপোরেশন প্রতিটি অযান্ত্রিক যানবাহন বা রিকশার জন্য দূরত্ব অনুযায়ী একটি ভাড়ার তালিকা তৈরি করতে পারবে। মুদ্রিত ভাড়ার তালিকা জনবহুল এলাকায় দৃশ্যমান করে টাঙাতে হবে। রেজিস্ট্রেশনের সঙ্গে রিকশার মালিককে সংশ্লিষ্ট জোনের সব ভাড়ার তালিকাও সরবরাহ করতে হবে। জনগণের সুবিধার্থে কখনো চালককে লাইসেন্স দেখাতে বলা হলে লাইসেন্সের সঙ্গে ভাড়ার তালিকাটিও দেখাতে হবে।

নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি দাবি করা বা নির্ধারিত জোনে নির্দিষ্ট দূরত্বে যেতে অস্বীকৃতি জানালে রিকশাচালককে সর্বোচ্চ ১০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা যাবে বলে প্রবিধানে উল্লেখ করা হয়েছে।

যেমন হবে রিকশা
প্রবিধানে বলা হয়েছে, প্রতিটি অযান্ত্রিক যানবাহন তথা রিকশার গঠন ও আকৃতি সুন্দর, মজবুত এবং কমপক্ষে দুজন স্বাস্থ্যবান মানুষ বসার মতো উপযুক্ত হতে হবে। রিকশার চাকা হবে মজবুত রাবারের টায়ার বেষ্টিত, চলার সময় কোনো রকম বাজে শব্দ ও কম্পন হবে না এবং সঠিকভাবে উপযুক্ত প্লাসবোর্ড দিয়ে সুরক্ষিত থাকবে।

স্প্রিং ও এক্সেলগুলো ধাতব বস্তু দিয়ে গঠিত হবে, যা শক্তিশালী, সঠিকভাবে গঠিত এবং মরিচা থেকে মুক্ত হবে। রিকশার হুড এবং কুশনের কাভার সুন্দর শক্ত কাপড় বা করপোরেশন অনুমোদিত ক্যানভাস বা অন্য কোনো বস্তু দিয়ে নির্মিত হবে, যা দেখতে সুন্দর হবে এবং পানি চুঁইয়ে পড়বে না। ঢাকা মহানগরীতে ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় চলাচলকারী রিকশা আলাদা রঙের হুড ও কুশনে আবৃত হতে হবে।

ভাঙাচোরা বা খুঁতযুক্ত কিংবা ত্রুটিপূর্ণ কোনো অযান্ত্রিক যানবাহন বা রিকশাকে রাস্তায় চলাচল করতে দেওয়া হবে না।

প্রতিটি অযান্ত্রিক যানবাহনের হেডলাইট থাকতে হবে এবং পেছনের বাতি উজ্জ্বল হতে হবে। পেছনের প্রতিটি বাতিতে লালগ্লাস এমনভাবে লাগাতে হবে যাতে পেছনে কোনো গাড়ির পাঁচ মিটারের মধ্যে থেকে তা দৃশ্যমান হয়।

গরু বা ঘোড়া দিয়ে চালিত যানবাহন হলে টানা প্রাণী, গরু কিংবা ঘোড়া যাতে কোনো ধরনের সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত না থাকে, স্বাস্থ্যবান ও রোগমুক্ত হয় এবং দেখতেও যাতে সুন্দর হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। নিবন্ধকের মতামত অনুযায়ী ওই প্রাণীদের জন্য ব্যবহার্য দড়ি বা চেনগুলো চামড়া দিয়ে বা ভালো কোনো আবরণে যাতে প্রাণীর জন্য আরামদায়কভাবে মোড়ানো থাকে, সে ব্যবস্থা মালিককে করতে হবে।

উপরের শর্তের ব্যত্যয় ঘটলে অযান্ত্রিক যানবাহন/রিকশা/ভ্যানগাড়ি বা ঘোড়া/গরুর গাড়ির মালিককে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা জরিমানা এবং ওই অযান্ত্রিক যানবাহনের নিবন্ধন বাতিল করা যাবে।

অযান্ত্রিক যান-রিকশা চলাচলের নিয়ম
নির্ধারিত এলাকা/অঞ্চল/জোন ছাড়া কোনো এলাকায় কোনো অযান্ত্রিক যানবাহন/রিকশা চলাচল করতে পারবে না। একই সঙ্গে দুই লেন, চার লেন বা ছয় লেনের সড়কে অযান্ত্রিক যানবাহন/রিকশা চলাচল কিংবা ক্রসিং কিংবা পার্কিং কিংবা সাময়িক অবস্থান করতে পারবে না।

নির্ধারিত অঞ্চল ও জোন অনুযায়ী অযান্ত্রিক যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন কার্ডের রং এবং চালকের পোশাকের রং ভিন্ন ভিন্ন হবে এবং করপোরেশন তা নির্ধারণ করবে। অযান্ত্রিক যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন কার্ডের রং ও চালকের পোশাকের রং ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক বলে গণ্য হবে।

অযান্ত্রিক যানবাহনের পার্কিংয়ের স্থান নির্ধারণ করে করপোরেশন সময়ে সময়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করবে। নির্ধারিত পার্কিং স্থানের বাইরে কোনো অযান্ত্রিক যানবাহন বা রিকশা পার্কিং আইনত দণ্ডনীয় হবে।

প্রত্যেক রিকশাচালক বাহুতে বা কব্জিতে একটি ব্যাজ ধারণ করবেন, যা সিটি করপোরেশন লাইসেন্সের সঙ্গে সরবরাহ করবে। এজন্য করপোরেশন যুক্তিসঙ্গত ফি নিতে পারবে।

রিকশার নিবন্ধন
যেসব অযান্ত্রিক যানবাহন বা রিকশা সিটি করপোরেশন সীমানার মধ্যে চলাচল করবে, এর প্রতিটিকেই নিবন্ধকের তত্ত্বাবধানে নিবন্ধন বা রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। নিবন্ধন প্রতি দুই বছর পর পর নবায়ন করতে হবে।

প্রতিটি অযান্ত্রিক যানবাহনের প্রকার অনুযায়ী লাইসেন্স ভিন্ন প্রকৃতির ও ফর্মের হবে। লাইসেন্সে প্রত্যেক লাইসেন্সধারীর স্ট্যাম্প সাইজের রঙিন ছবি ও বাম হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলির ছাপ থাকবে।

নির্ধারণ করে দেওয়া হবে মালিকের জমা
প্রবিধানে অযান্ত্রিক যানবাহন বা রিকশার মালিকের দায়িত্ব নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। অযান্ত্রিক যানবাহন বা রিকশাচালকের কাছ থেকে মালিক দৈনিক সর্বোচ্চ কত টাকা ভাড়া আদায় করতে পারবেন তা করপোরেশন নির্ধারিত করে দিতে পারবে। নির্ধারিত দৈনিক ভাড়ার অতিরিক্ত ভাড়া কোনো মালিক আদায় করতে পারবেন না।

করপোরেশন রিকশার দৈনিক ভাড়া নির্ধারণ করে দেওয়ার পরও যদি কোনো মালিক নির্ধারিত ভাড়ার বেশি আদায় করেন তবে মালিককে শাস্তি দেওয়া যাবে। করপোরেশন ওই মালিকের রিকশার লাইসেন্সও বাতিল করতে পারবে।

বিজ্ঞাপন বা অশ্লীল ছবি সাঁটানো যাবে না রিকশায়
নিবন্ধকের লিখিত অনুমতি ছাড়া কোনো রিকশা কিংবা ভ্যানে ছাপানো লিখিত বা অন্য কোনো উপায়ে ভেতরে বা বাইরে কোনো রকম বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন কিংবা অশ্লীল ছবি/চিত্রমালা ইত্যাদি সাঁটানো কিংবা প্রদর্শন করা যাবে না বলে প্রবিধানে জানানো হয়েছে।

রিকশাচালকদের জন্য প্রশিক্ষণ
সিটি করপোরেশন চালকদের জন্য রিকশা চালানোর ও নিয়ম-কানুন শেখাতে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করবে। এতে তারা সড়কপথে চলাচল করার সময় পালনীয় নিয়ম-কানুন, ট্রাফিক সংকেত, দূরত্ব অনুয়ায়ী নির্ধারিত ভাড়া বিষয়ে জানতে পারবেন। যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া পরপর দুবার প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণে ব্যর্থ হলে চালকের লাইসেন্স বাতিল করা যাবে।

বিভিন্ন অপরাধের শাস্তি
যদি কেউ এই প্রবিধান ভঙ্গ করে সিটি করপোরেশনের মধ্যে কিংবা নির্ধারিত জোনের বাইরে অযান্ত্রিক যানবাহন বা রিকশা চালান তাহলে মালিককে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা এবং চালককে সর্বোচ্চ দুই হাজার টাকা জরিমানা করা যাবে। একই সঙ্গে রিকশার লাইসেন্স ও চালকের লাইসেন্স বাতিল করা যাবে।

কোনো রিকশাচালক একক বা দ্বৈত যাত্রীকে কোনো স্থানে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে রিকশার যান্ত্রিক ত্রুটি ছাড়া অন্য কোনো কারণে অস্বীকৃতি জানাতে পারবেন না। কোনো চালক কোনো ব্যক্তির সঙ্গে দুর্ব্যবহার করতে পারবেন না। এক্ষেত্রে চালককে ৫শ টাকা জরিমানা ও লাইসেন্স বাতিল করা যাবে।

অযান্ত্রিক যানবাহন বা রিকশা কোনো বেআইনি বা অনৈতিক কাজে ব্যবহার হলে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা যাবে এবং যানবাহন জব্দ বা বাজেয়াপ্ত করা যাবে।

কোনো রিকশায় দুজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির বেশি বহন বা রিকশার আয়তনের চেয়ে বড় বা বেশি ওজনের বস্তু বা দ্রব্যাদি বহন করা যাবে না।

পার্কিংয়ের জন্য নির্ধারিত স্থান ছাড়া রিকশা পার্কিং করা যাবে না। নির্ধারিত স্থান ছাড়া পার্কিং করা হলে রিকশার মালিক বা চালককে সর্বোচ্চ দুই হাজার টাকা জরিমানা করা যাবে।

করপোরেশনের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তা জরিমানা আরোপ করতে পারবেন বলেও প্রবিধানে উল্লেখ করা হয়েছে।

সূত্র: জাগো নিউজ
এম ইউ/২৭ মার্চ ২০২২

Back to top button