উত্তর আমেরিকা

সিনেটে সমান, ডেমোক্র্যাটরা হাউসে এগিয়ে

ওয়াশিংটন, ৪ নভেম্বর- যুক্তরাষ্ট্রে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের মতো সিনেট ও হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের (প্রতিনিধি পরিষদ) নির্বাচনও বেশ গুরুত্বপূর্ণ। কেউ প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেও সিনেট ও হাউসে সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকলে গুরুত্বপূর্ণ অনেক সিদ্ধান্তই আটকে যেতে পারে।

মার্কিন কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটের দখল নিতে প্রয়োজন হয় ৫১টি আসন। বর্তমানে সিনেটে ৫৩-৪৭ সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে রিপাবলিকানদের। তবে এবারের নির্বাচনে এখন পর্যন্ত দুই পক্ষই ৪৭টিতে জয় পেয়েছে। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।

প্রতিপক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ঠেকাতে দুই দলেরই প্রয়োজন আরও অন্তত তিনটি আসন। আর বিরোধী দলের প্রেসিডেন্ট হলেও তাকে মোকাবিলায় অন্তত চারটি আসনে জিততে হবে দলগুলোকে।

যুক্তরাষ্ট্রে ১০০ জন সিনেটরের মেয়াদ থাকে সাধারণত ছয় বছর করে। তবে প্রতি দুই বছর পরপর এক-তৃতীয়াংশ আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এবছর দেশটিতে নির্বাচন হচ্ছে সিনেটের ৩৫টি আসনে।

এদিকে, কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসে আসন রয়েছে মোট ৪৩৫টি। সেখানে বর্তমানে ডেমোক্র্যাটরাই সংখ্যাগরিষ্ঠ। আর এই আধিপত্য ধরে রাখতে তাদের প্রয়োজন ২১৮টি আসন।

দ্য গার্ডিয়ানের তথ্যমতে, এবারের নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা এখন পর্যন্ত জয় পেয়েছে ১৮৮টি আসনে। আর রিপাবলিকানদের জয় ১৮১টিতে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি অঙ্গরাজ্যে জনসংখ্যা যা-ই হোক, সিনেটর থাকেন দু’জন করে। তবে হাউস অব রিপ্রেজেন্টিটিভসের সদস্য থাকেন জনসংখ্যার ভিত্তিতে। ফলে কোনও অঙ্গরাজ্যে হাউসের সদস্য বা কংগ্রেসম্যান একজনও হতে পারে, কোথাও অনেক বেশি। যেমন- ক্যালিফোর্নিয়ায় কংগ্রেসম্যান ৫৫ জন এবং নিউইয়র্কে ২৭ জন হলেও দুটি অঙ্গরাজ্যেই সিনেটর রয়েছেন দু’জন করে।

একটি অঙ্গরাজ্যের সিনেট ও হাউসের সদস্য সংখ্যার যোগফল হচ্ছে ইলেকটোরাল কলেজ। তবে ওয়াশিংটন ডিসি কোনও রাজ্য না হলেও সেখানে তিনটি ইলেকটোরাল ভোট রয়েছে।

ইলেকটোরাল ভোটে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেও রাজ্যের পপুলার ভোটও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, কোনও অঙ্গরাজ্যে পপুলার ভোটে জয়ী হলে সেখানকার সব ইলেকটোরাল ভোটই চলে যায় বিজয়ীর পকেটে।

যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান অনুসারে, কোনও প্রস্তাবনাকে আইন হতে হলে সেটি সিনেট ও হাউস দুই জায়গাতেই অনুমোদন পেয়ে আসতে হবে। তবে সিনেটের ক্ষমতা ও দায়িত্ব কিছুটা বেশি। যেমন- সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ দেয়ার ক্ষমতা রয়েছে তাদের হাতে।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান, সিএনএন

আর/০৮:১৪/৪ নভেম্বর


Back to top button
🌐 Read in Your Language