ক্রিকেট

শেন ওয়ার্নের রুমে রক্ত দেখতে পেয়েছে থাই পুলিশ

ব্যাংকক, ০৬ মার্চ – অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তি লেগস্পিনার শেন ওয়ার্নের মৃত্যুর পর পেরিয়ে গেছে এক দিনেরও বেশি সময়। হার্ট অ্যাটাকে ওয়ার্নি মারা গেছেন বলে ধারণা করা হলেও এখনো যথার্থ কারণ নিশ্চিত হতে পারেনি থাইল্যান্ড পুলিশ।

এদিকে ওয়ার্নের রুমে রক্তের দেখা মিলেছে বলেও জানিয়েছে থাই পুলিশ। ফলে ময়নাতদন্ত করে এরপরে ওয়ার্নের মৃতদেহ অস্ট্রেলিয়ায় দ্রুতই পাঠানোর ব্যবস্থা করবে থাই পুলিশ।

আনুষ্ঠানিকভাবে মৃত্যুর কারণ হিসেবে হার্ট অ্যাটাকের কথা বলা হলেও কোহ সামুইয়ের স্থানীয় পুলিশ প্রধান ইউত্থানা সিরিসোমবাত বলেছেন, ‘যদিও হার্ট অ্যাটাকের কথা বলা হচ্ছে, তবে আমি এখনও নিশ্চিত নয়। এই সিদ্ধান্ত চিকিৎসকদের মতামতের ওপর নির্ভর করছে।’

সেখানকার রাজ্যের পুলিশ কমান্ডার সাতিত পোপিনিত জানিয়েছেন, ওয়ার্নের রুমে রক্ত দেখা গিয়েছিল। অবশ্য এখানে অন্যকিছু সন্দেহের বিষয় নেই বলেও জানিয়েছেন এই পুলিশ কমান্ডার। তারা ধারণা করছেন, সিপিআর দেওয়ার সময় কাশি দিতে গিয়ে ওয়ার্নের মুখ দিয়ে পানির মতো শ্লাষ্মা বের হয়েছে। এ ছাড়াও রক্ত বেরিয়েছিল।

অস্ট্রেলিয়ার স্কাইনিউজে দেওয়া এক বক্তব্যে সাতিতি পোপিনিত বলেন, ‘আমরা ওয়ার্নের রুমে ভালো পরিমাণ রক্ত দেখতে পেয়েছি। সম্ভবত, যখন সিপিআর দেওয়া হচ্ছিল তখন ওয়ার্নের মুখ দিয়ে তরল শ্লাষ্মা এবং একইসঙ্গে রক্তও বের হয়েছিল।’

এদিকে থাই পুলিশ জানিয়েছে, শেন ওয়ার্ন থাইল্যান্ডে যাওয়ার পরও তার বুকের ব্যথার সমস্যা করছিল। অ্যাজমার রোগীও ছিলেন ওয়ার্ন। ফলে কদিন আগেই হার্টের চিকিৎসক দেখিয়েছেন। থাইল্যান্ডের অস্ট্রেলিয়ান প্রতিনিধি অলিভিয়া লেমিং এক টুইট বার্তায় জানিয়েছেন, ওয়ার্নের অ্যাজমা সমস্যা ছিল এবং বুকের ব্যথার কারণে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়েছিলেন।’

তবে অস্ট্রেলিয়ানরা এখন এসবের অপেক্ষায় থাকতে চাইছেন না। তারা বরং যত দ্রুত সম্ভব ওয়ার্নের মৃতদেহ নিয়ে যেতে চাইছেন। থাইল্যান্ডে অস্ট্রেলিয়ান অ্যাম্বাসেডর অ্যালান ম্যাকিনন বলেন, ‘আমি এখানে ওয়ার্নের পরিবারের পক্ষ হতে আছি। আমরা যত দ্রুত সম্ভব ওয়ার্নের মৃতদেহ অস্ট্রেলিয়ায় পাঠিয়ে দিতে চাই। সত্যি বলতে এখানকার পুলিশ আমাদের যথেষ্ট সাহায্য করছেন এবং আমাদের সমস্যা বুঝতে পারছেন।’

একই সুরে কণ্ঠ মিলিয়েছেন শেন ওয়ার্নের দীর্ঘদিনের বন্ধু এবং মৃত্যুর সময় তার কাছে থাকা অ্যান্ড্রু নিওফিটোর। কোহ সামুই পুলিশ স্টেশনের বাইরে দাঁড়িয়ে নিওফিটোর শুধু একটা কথাই বলছেন, ‘আর কিছুই না, এখন কেবল শেনকে বাড়িতে নিয়ে যেতে চাই।’

সূত্র : আরটিভি
এম এস, ০৬ মার্চ

Back to top button