জাতীয়

গ্রাহকের আস্থা অর্জনের মাধ্যমেই বিমাশিল্পের বিকাশ সম্ভব : রাষ্ট্রপতি

ঢাকা, ০১ মার্চ – সমাজে বয়োবৃদ্ধদের স্বাস্থ্যঝুঁকি নিরসন এবং পেনশন বিমার মাধ্যমে সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়। এ জন্য বিমা একটি কার্যকর ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করছে। মঙ্গলবার (১ মার্চ) জাতীয় বিমা দিবস উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে এ কথা রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ।

তিনি বলেন, মানুষের জীবন ও সম্পত্তি বিভিন্ন ধরনের ঝুঁকির মধ্যে থাকে। এসব ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার মতো জটিল কাজ আর্থিক খাতে একমাত্র বিমার মাধ্যমেই করা হয়ে থাকে। তাই একটি কল্যাণ রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় বীমা অন্যতম অনুষঙ্গ।

রাষ্ট্রপতি বলেন, স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশের মুক্তিকামী মানুষকে সব প্রকার শোষণ ও বঞ্চনা থেকে মুক্তি দিয়েছেন। তিনি ১৯৬০ সালের ১ মার্চ আলফা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডে যোগদানের মাধ্যমে বিমাকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন। এ দিনটি স্মরণে প্রতিবছর ১ মার্চ জাতীয় বিমা দিবস পালন বঙ্গবন্ধুর প্রতি সম্মান প্রদর্শনের পাশাপাশি এ শিল্পের উন্নয়নেও সহায়ক ভূমিকা রাখছে।

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেন, ‘বিমায় সুরক্ষিত থাকলে, এগিয়ে যাব সবাই মিলে’ এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে তৃতীয়বারের মতো জাতীয় বিমা দিবস পালিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এ উপলক্ষে আমি বিমা প্রতিষ্ঠান, গ্রাহকসাধারণসহ বিমা শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

তিনি আরও বলেন, ব্যবসা বাণিজ্যের জন্য নন-লাইফ বিমা এবং জীবনের ঝুঁকির জন্য জীবন বিমা ও স্বাস্থ্য বিমা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ৩৫টি লাইফ ও ৪৬টি নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স মিলে দেশে বর্তমানে ৮১টি বিমা প্রতিষ্ঠান তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সাধারণ জনগণই বিমা শিল্পের প্রাণ। একমাত্র গ্রাহকের আস্থা অর্জনের মাধ্যমেই এ শিল্পের বিকাশ সম্ভব।

তাই বিমা সেবাকে একটি নির্ভরযোগ্য আর্থিক নিরাপত্তা বিধানের মাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য বিমা প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও নিষ্ঠা এবং পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করে যেতে হবে। গ্রাহকের বিমা দাবি যথাসময়ে পরিশোধ, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নীতিসমূহ প্রতিপালন, তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ ও গ্রাহকবান্ধব সেবা প্রদানে এগিয়ে আসতে বিমা সংশ্লিষ্ট সবাইকে আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।

সূত্র : আরটিভি
এম এস, ০১ মার্চ

Back to top button