ইউরোপ

খেরসন ও বারদিয়ানস্ক শহর অবরোধের দাবি রাশিয়ার

মস্কো, ২৭ ফেব্রুয়ারি – ইউক্রেনে সর্বাত্মক হামলার চতুর্থ দিনে আরও দুটি শহর অবরোধ করার কথা জানিয়েছে রাশিয়া। ওই দুটি শহরের বড় বড় স্থাপনাগুলো নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিয়েছেন রুশ সেনারা। খবর বিবিসির।

ইউক্রেনের দক্ষিণে এবং দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের দুটি শহর পুরোপুরি অবরোধ করার দাবি করেছে মস্কো। রুশ বাহিনী খেরসন ও বারদিয়ানস্ক শহর পুরোপুরি অবরোধ করেছে বলে দাবি করেছেন মস্কোর প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইগোর কোনাশেঙ্কেভ।

পূর্ব ইউরোপের এ দেশটিতে চলমান সামরিক অভিযান আরও জোরদারের ঘোষণা দেওয়ার পর এই দুটি শহর অবরোধের খবর সামনে এলো।
চলতি সপ্তাহে খেরসন শহরটি পুননিয়ন্ত্রণে এনেছিল ইউক্রেন। শহরটি ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত। যেটি ক্রিমিয়ার উত্তর পশ্চিমে। আর বারদিয়ানস্ক ক্রিমিয়ার পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত বন্দরনগরী।

মস্কোর প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইগোর কোনাশেঙ্কেভ জানান, গতকাল রাশিয়ার সেনারা ইউক্রেনের সামরিক স্থাপনায় হামলা বিমান হামলা করেছে। ক্রজ ক্ষেপণাস্ত্রও ছোড়া হচ্ছে।

এ ছাড়া ইউক্রেনে সর্বাত্মক আক্রমণ শুরুর চতুর্থ দিনে নোভা কাখোভকা নামে দেশটির একটি শহর দখলে নিয়েছে রাশিয়ার সামরিক বাহিনী। নিউ কাখোভকা নামেও পরিচিত এ শহরটি ছোট হলেও কৌশলগতভাবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ কাখোভকা শহরটি দিনিপার নদীর তীরে অবস্থিত এবং এ নদীটি সরাসরি ক্রিমিয়া উপদ্বীপে পানি পথে পণ্য সরবরাহের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।

কাখোভকা শহরের মেয়র ভলোদিমির কোভালেঙ্কো বলেছেন, রুশ সেনারা কাখোভকা শহরের প্রধান প্রশাসনিক ভবন দখল করার পর সেখান থেকে ইউক্রেনের সব পতাকা সরিয়ে দিয়েছে।

একই সঙ্গে রোববার ইউক্রেনের খারকিভ শহরেও ঢুকে পড়েছে রাশিয়ার সামরিক বাহিনী। রুশ সীমান্তবর্তী পূর্ব ইউক্রেনের এ শহরটি দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর।

এদিকে ওলেগ সিনেগুবভের স্বীকারের আগেই অনলাইনে বেশ কিছু ভিডিও ফুটেজ ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে ইউক্রেনের উত্তর-পূর্বের এই শহরের রাস্তায় রাস্তায় রুশ সামরিক যানগুলোকে চলতে দেখা যায়।

সূত্র: যুগান্তর
এম ইউ/২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২

Back to top button