জাতীয়

সার্চ কমিটিতে নাম দিয়েছে ২৪ রাজনৈতিক দল

ঢাকা, ১১ ফেব্রুয়ারি – প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগে যোগ্য প্রার্থী বাছাইয়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগসহ মোট ২৪টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল অনুসন্ধান কমিটির কাছে নাম প্রস্তাব করেছে।

তবে বিএনপিসহ বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল ইসি গঠনে কোনো নাম প্রস্তাব জমা দেয়নি।

বর্তমানে নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল আছে ৩৯টি। পূর্বনিধারিত সময় অনুযায়ী আজ বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত রাজনৈতিক দলগুলোকে নাম দেওয়ার অনুরোধ করেছিল অনুসন্ধান কমিটি।

অনুসন্ধান কমিটির সাচিবিক দায়িত্বে থাকা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্ম সচিব শফিউল আজিম বিকেল পাঁচটার পর সাংবাদিকদের বলেন, ২৪টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে প্রস্তাব পেয়েছেন। এ ছাড়া বিএমএ, কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটশন ও ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউশনসহ ছয়টি পেশাজীবী সংগঠন থেকে প্রস্তাব এসেছে।

এর বাইরে ব্যক্তিগত পর্যায়ে ইমেইলে দেশ ও বিদেশ থেকে অনেক বড় সংখ্যায় প্রস্তাব পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন যুগ্ম সচিব শফিউল আজিম। এগুলো এসেছে মূলত ই–মেইলে। তবে মোট কতজনের প্রস্তাব এসেছে সেটি তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে পারেননি তিনি।

এ বিষয়ে শফিউল আজিম বলেন, নামগুলোর তালিকা করে অনুসন্ধান কমিটির সামনে উপস্থাপন করা হবে।

এর আগে ইসি গঠনে যোগ্য প্রার্থী বাছাইয়ে প্রথমে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে নাম প্রস্তাব করার অনুরোধ করেছিল অনুসন্ধান কমিটি। এরপর নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর ঠিকানায় গত বুধবার চিঠি দিয়ে নাম দেওয়ার অনুরোধ করে কমিটি। চিঠিতে প্রতিটি দলকে আজ শুক্রবার বিকেলের মধ্যে অনধিক ১০ জনের নাম পাঠাতে অনুরোধ করা হয়েছিল।

সার্চ কমিটির কাছে কোন নামের তালিকা দেয়নি বিএনপি। বিএনপি ছাড়াও তাদের জোটে থাকা নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত আরও তিনটি দলও নাম দেয়নি।

এদিকে ইসি গঠনে যোগ্য ব্যক্তি বাছাইয়ে আগামীকাল শনিবার দুই দফায় এবং পরদিন রোববার বিশিষ্টজনদের সঙ্গে বৈঠক করবে অনুসন্ধান কমিটি। ইতিমধ্যে বিশিষ্ট নাগরিক ও পেশাজীবীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

বর্তমান নির্বাচন কমিশনের (ইসি) মেয়াদ ১৪ ফেব্রুয়ারি শেষ হচ্ছে। তার আগেই নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন হবে। স্বাধীনতার পর এবারই প্রথম আইন অনুযায়ী ইসি গঠিত হচ্ছে। গত ২৭ জানুয়ারি প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ বিল-২০২২ জাতীয় সংসদে পাস হয়। আর ইসি গঠনে যোগ্য ব্যক্তি বাছাইয়ের জন্য ৫ ফেব্রুয়ারি অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটি ১০ জনের নাম প্রস্তাব করার পর সেখান থেকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও চারজন নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ করবেন রাষ্ট্রপতি।

সূত্র : বাংলাদেশ জার্নাল
এন এইচ, ১১ ফেব্রুয়ারি

Back to top button